বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

Homeআইন-আদালতশ্রীপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতির' ভিডিও ভাইরাল।

শ্রীপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতির’ ভিডিও ভাইরাল।

মাগুরা প্রতিনিধি >>

শ্রীপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রিয়া জোয়ার্দার এর ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি কিছুদিন পূর্বের বলে দাবি করেছেন- রিয়া জোয়ার্দার। ভাইরাল হওয়া স্থির ঐ ভিডিওটিতে দেখা গেছে শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রিয়া নিজ বাড়িতে জন্মদিনের একটি অনুষ্ঠানে বেশ অশ্লীল অবস্থায় এবং ক্যামেরাম্যান বেশ উচ্চস্বরে তাদের উদ্দেশ্যে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করছেন। নিজের পরিবারের সদস্যদের সাথে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। স্থানীয়দের থেকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে রিয়া জোয়ার্দারের স্বামী ও দুই প্রএ সন্তান রয়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটিতে পদ সহ ঢাকাতে ব্যবসা রয়েছে তার। তবে কোন ধরনের ব্যবসা রয়েছে (নিজ নামে)সরকারি আয় কর ফাইল না থাকায় সনাক্তকরণ সহজ হয়নি, অনুসন্ধান চলছে । বিপরীতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে অল্প বয়সের একটা ছেলের সঙ্গে অন্তরঙ্গতায় (লিপ কিস)করতে দেখা যায় তাকে। এ নিয়ে শ্রীপুর উপজেলা জুড়ে বয়ে চলেছে সমালোচনা।

রিয়া জোয়ার্দার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামের বাসিন্দা পাশাপাশি
শ্রীপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে কর্মরত আছেন ।

তবে এই অশ্লীল ভিডিও ঘটনায় শ্রীপুরের সংশ্লিষ্ট আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক নেতাকর্মি ও সাধারণ জনগণের ভাষ্য উক্ত পদ থেকে রিয়াকে,বহিষ্কার দেখতে চান তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজনৈতিক নেতাকর্মিরা বলেন এর আগেও ছোট ঘটনায় মাগুরার অনেক জনপ্রিয় এ জেলার রাজনৈতিক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে দল থেকে। এত বড় ঘটনায় উপজেলায় কেন বহিষ্কার করতে বিলম্ব হচ্ছে মর্মেও প্রশ্ন তোলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের এই গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কাউকে পদে চান তারা।

সব্দালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পান্না খাতুন বলেন দায়িত্বশীল পদে থেকে নগ্নতা ছড়ানোর কোন সুযোগ নেই আওয়ামী লীগে।

এ ঘটনার পাশাপাশি আরো ভাইরাল হয়েছে,দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কানন সহ রিয়ার আরেকটি ভিডিও। তাতে দেখা গেছে, সেনাবাহিনীর ভুয়া নিয়োগ বাণিজ্য করে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনা । রেজিস্টার সেনা সদর কিউ এম জিয় শাখা পূর্ত পরিচালক প্রধান প্রকৌশলী ঢাকা সেনানিবাস কর্তৃক,১৭০/খন্ড -৮৮/৯৮ই-১ গত ৩/৩/২০১৭ অফিস সহায়ক (পিওন) পদে এ নিয়োগ পত্র প্রদান করা হয়েছে। মূল বেতন ধরা হয়েছে প্রতিমাসে-৮২৫০ টাকা স্কেল দেখানো হয়েছে ২০০১০,টাকা। এপার্টমেন্ট লেটারে স্বাক্ষর এবং সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে কর্নেল রফিকুল ইসলাম,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসও -১ প্ল্যানিং অ্যান্ড এডমিন পূর্ত পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীর।

এ ঘটনায় একাধিক সাংবাদিক কর্মির কাছে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মাসুম মন্ডল ও তার পরিবার। তারা বলেন, রিয়া,আমাদের পরিবার থেকে সেনাবাহিনীর চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিজের মাগুরা ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট (20502460201479507)এবং সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রান্সপটেকশন সিস্টেম লিমিটেডের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুক্তভোগী মাসুম মন্ডলের মা হাসিনা বেগম বলেন, রিয়া আমাদেরকে বলেন দ্রুত মাগুরা ইসলামী ব্যাংকে টাকা জমা করে দেন। তা না হলে চাকরির অ্যাপার্টমেন্ট লেটার পাঠানো যাবে না। আপনি টাকা পাঠান ঢাকা থেকে এখনই টাকা আবার তুলতে হবে। সেনাবাহিনী ও পুলিশকে দিতে হবে। ( এ বিষয়ে তিনি ঢাকা রেঞ্জের এক বিশেষ পুলিশ অফিসারের নাম ব্যবহার করেন ভুক্তভোগীদের কাছে)
আর আমরা তার কথামতো টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে রিসিট নিজেদের কাছে রেখে দি।
এ আশায় যে আমরা গরীব মানুষ শত কষ্টের টাকা দিয়ে যদি একটা সরকারী চাকরি হয় তাহলে আমাদের পরিবার বেঁচে যাবে। কিন্তু সে আমাদের সাথে প্রতারণা করে। সে একটি ভুয়া নিয়োগ পত্র ধরিয়ে দিয়েছে আমাদেরকে। এত বছর ধরে সে আমাদেরকে ঘুরাচ্ছে টাকা ফেরত দিচ্ছে না। নিজের রাজনীতির পদ দেখিয়ে এখন টাকা চাইলে হুমকি দেয়। মাঝেমাঝেই জোর করে বিভিন্ন কাগজ নিয়ে এসে সই করতে বলে। টাকা ফেরত দিতে তালবাহানা করলে একপর্যায়ে আমরা তার নির্বাচনের সময় গাড়ি গতিরোধ করে সালিশের মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছি। বাকি ৭ লাখ টাকা এখনো আমাদেরকে ফেরত দেয়নি।অবশেষে আমরা নিরুপায় হয়ে শ্রীপুর থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছি।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত জানতে,শ্রীপুর থানার ওসি ইনচার্জকে মুঠোফোনে অবহিত করা হলে তিনি বলেন আমি অফিসিয়াল কাজে, শ্রীপুর থানা থেকে মাগুরা জেলা শহরে এসেছি থানায় ডিউটিরত অফিসারের কাছে অভিযোগ দিতে পারে। বিষয়টি আই্নিকভাবে তদন্ত করে দেখা হবে।

উক্ত ঘটনার সত্যতা আরো নিশ্চিত জানতে,রিয়া জোয়ার্দার কে মুঠোফোন ফোন করা হলে,তিনি জানান আমার ভাই চাকরির জন্য টাকা নিয়েছে,আমি কারো থেকে কোন টাকা নেইনি।আমার ভাই তো মারা গেছে অনেক আগে। আর ভিডিওটি আমাদের পারিবারিক। জন্মদিনের একটি অনুষ্ঠানের। ভিডিও টি শ্রীপুর থেকে এডিটিং করে মাগুরা পাঠিয়েছে, এ বিষয় দুই জন সাংবাদিক আমার কাছে এসে ছিলো। সাংবাদিকরা তথ্য নিশ্চিত করে যদি নিউজ করে তো করুক আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।

২৯/২/২৪ইং “জোয়ারদার স্বর্ণালী” রিয়া নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্ট থেকে দেখা গেছে,২৪/১১/২০১৬ মাগুরা ইসলামী শাখা থেকে ক্যাশ ডিপোজিট হয়,এবং ওই দিনই মিন্তুু জোয়ার্দারকে দিয়ে ১৯১ মহাখালী ব্রাঞ্চ ঢাকা থেকে টাকাটি উত্তোলন করা হয়েছে ।

নিউজের বাকি অংশ পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে….

- Advertisement -spot_img
এই রকম আরো পোস্ট
- Advertisment -spot_img

সর্বশেষ