বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

Homeখেলানতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে ১০০ কোটি টাকা চেয়েছে বাফুফে

নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে ১০০ কোটি টাকা চেয়েছে বাফুফে

দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। তাই তার অবর্তমানে একজন সহসভাপতির নেতৃত্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে চেয়েছিল বাফুফে। তবে একজন নয়, ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন তিন সহসভাপতি। সঙ্গে নারী ফুটবল উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।

এই বৈঠকের নেতৃত্ব দেন আবদুস সালাম মুর্শেদী। ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ৩ ঘণ্টার বৈঠকে বাফুফের চাওয়া ছিল অনেক। নারী সাফের স্বাগতিক হওয়ার জন্য মাঠ, প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল আয়োজনের জন্য চারটি মাঠ চেয়েছে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। তবে উল্লেখযোগ্য চাওয়ার মধ্যে মন্ত্রণালয়ের কাছে বাফুফের চাওয়া ছিল ১০০ কোটি টাকার সিড মানি বা থোক বরাদ্দ।

দেশের ফুটবলের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য সরকারের কাছে ৫ বছরের মেয়াদে ৫৮৭ কোটি টাকা চেয়েছিল বাফুফে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আপত্তিতে তাদের সেই চাওয়া পূরণ হয়নি। এর আগে সরকারের কাছ থেকে ২০ কোটি টাকার সিড মানি পেয়েছিল সংস্থাটি। সেই অর্থ খরচের সঠিক কোনো হিসাব দিতে না পারায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় বাফুফের।

নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে আবারও সিড মানি চেয়েছে বাফুফে। এবারের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে বাফুফের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদি বলেছেন, ‘আমরা ফিফা-এএফসি থেকে যে বরাদ্দ পাই সেগুলো নির্দিষ্ট খাতে খরচ করতে হয়। টুর্নামেন্ট যেগুলো হয় সেগুলো পৃষ্ঠপোষকের মাধ্যমে আমাদের চালাতে হয়। আমরা সিড মানি বলে একটা প্রস্তাব দিয়েছি। শর্ত সাপেক্ষে যদি বাফুফেকে একটা বড় অর্থ দেয়া হয় তাহলে সেটা স্থায়ী আমানত হিসেবে রেখে দেয়া হবে। এখান থেকে যে ইন্টারেস্ট আসবে সেটা দিয়ে আমরা খেলাধুলা বা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজগুলো করব।’

সরকারের কাছে বাফুফের এই চাওয়া উপস্থাপন করলে কতটুকু ফল আসবে তা নিয়ে নিজেই সন্দিহান পাপন। বাফুফের চাওয়ার বিপরীতে আপাতত পৃষ্ঠপোষক ব্যবস্থা করে দেয়ার দিকে নজর দিচ্ছেন তিনি, ‘এ নিয়ে সরকারের সঙ্গে, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসতে হবে। কতটুকু রাজি করানো যাবে সেটা আমি জানি না। আমি আপাতত চেষ্টা করছি তাদের সামনে যেসব খেলা আছে সেসব খেলার পৃষ্ঠপোষক ব্যবস্থা করা যায় কিনা। যেসব অবকাঠামো আছে এই মুহূর্তে আছে, পরিকল্পনায় থাকা খেলাগুলো বাফুফে সেখানে শেষ করতে চায়। আপাতত নজর এতটুকুই।’

- Advertisement -spot_img
এই রকম আরো পোস্ট
- Advertisment -spot_img

সর্বশেষ