বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

Homeরাজনীতি১১নম্বর হাসানপুর ইউনিয়ন বাসীর প্রতি খোলা চিঠি ।

১১নম্বর হাসানপুর ইউনিয়ন বাসীর প্রতি খোলা চিঠি ।

 

সম্মানিত ১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়ন বাসি ।
আসসালামু ওয়ালাইকুম ।

আপনি কি জানেন ——???

## একটি ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিবছর কি পাচ্ছে আর জনগণকে কি দিচ্ছে ?

## ভোট দিবেন কাকে ?

## ভেবেছেন কি একবার ও !

## ১০০০ টাকার বিনিময়ে ভোট বিক্রয় করবেন ?

## নাকি ভেবে, দেখে, বুঝে ভোট দিবেন।

## বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জনগনের যে সেবা পাওয়ার কথা তা কি আমরা পাচ্ছি ?

## ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের মজবুত ও শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। সরকারের পাশাপাশি বিশ্ব ব্যাংকও বড় অংকের অনুদান প্রদান করে থাকে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে।

## আয়তন লোকসংখ্যা ও লোকেশন বিবেচনায় বিশ্ব ব্যাংকের এলজিএসপি-৩ এর আওতায় প্রকল্পের মাধ্যমে, প্রতিটি ইউনিয়নে বছরে ২৫ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য যে—–

এই টাকাগুলো কোন ঝুকি-ঝামেলা কিংবা উপরি দেয়া ছাড়াই সকল দলের চেয়ারম্যান দের ইউপিগুলোতে চলে আসে।

## ইট-ঢালাই, কাঁচা ও পাকা রাস্তা নির্মাণ,কালভার্ট নির্মাণ, প্রাচীর নির্মাণ, বাজারে ও মোড়ে টয়লেট নির্মাণ, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন, ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণ সহ বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ,গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বাইসাইকেল প্রদান,বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আধুনিক মানের ড্রেস,বাথরুম বানানো ,এমন আরও হরেক রকম কাজে ব্যয় করা যায় এই টাকাগুলো।

## সাধারণ ভাবে হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতিজন চেয়ারম্যান শুধু বিশ্ব ব্যাংক থেকে ৫ বছরে পায় দেড় থেকে পাঁচ কোটি টাকা। যে টাকা দিয়ে অনায়াসে একটা ইউনিয়ন সুন্দর ভাবে সাজানো সম্ভব।

তারপর আরও আছে——

যেমন,

## কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে ৩৫-৪০ লাখ টাকা।
## এডিবি ১২-১৪ লাখ টাকা।
## কাবিটা ১০-১২ লাখ টাকা।
## কাবিখা ১০-১২ লাখ টাকা ইত্যাদি।

বন্যার বাঁধ উন্নয়নে পিআইসি’র টাকা বাদেও আরো অসংখ্য বরাদ্দ আসে ইউনিয়ন পরিষদে। বিভিন্ন দুর্যোগ, মহামারীতে আসে বিশেষ বরাদ্দের নামে তাৎক্ষণিক খরচের টাকা। এটাও প্রকারভেদে আকারে হয় অনেক মোটা এবং তাজা। কিন্তু টাকাগুলো ব্যয় হয় কোথায় ?

একজন ইউপি চেয়ারম্যানের স্বদিচ্ছা, মানুষের প্রতি ভালবাসা, এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে, তিনি নিজ ইউনিয়নের ভেতর পাড়া-মহল্লার প্রায় সকল কাঁচা-পাকা-কাঁদা রাস্তা সংস্কার ব্যবস্থাসহ, জনদুর্ভোগ লাঘবে ছোট ছোট সকল সমস্যা সমাধান সরকারী ফান্ড থেকে করে দিতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

অথচ চেয়ারম্যানের কাছে জিজ্ঞাসা করলে বলবে বরাদ্দ নেই, তাহলে সরকার প্রতি বছর ইউনিয়নে যে টাকাগুলো দেয় সেগুলো কোথায় যায় ?
যদিও নামমাত্র কিছু কাজ দেখালেও বাকিটুকু আর খোজ পাওয়া যায় না।

কিন্তু বাস্তবতা কি ?

আমরা কি ইউপি থেকে সেই কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছি ?
উত্তর – না ।
আমরা সরকারকে দোষারোপ করি, আসলে সরকার থেকে ইউনিয়ন পরিষদে কি পরিমাণ বরাদ্দ আসে তার খবর কি আমরা রাখি ?
আমরা কি আমাদের মনের মতো চেয়ারম্যান
অর্থাৎ জনসেবক বানাতে আদৌ কি পেরেছি ?

তথ্য জানার অধিকার সবার আছে ।।

এ কথাগুলো কি অতীতের কোন চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন, অতীতে কোন চেয়ারম্যান প্রার্থী কি কখনো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছে ?

ইউনিয়ন আপনার-আমার-আমাদের ।
গড়ার দায়িত্ব সকলের ।

## দালাল মুক্ত ইউনিয়ন গড়তে আসুন ঐক্যবদ্ধ হই ।

## সমাজের অধিকার ফিরিয়ে আনি ।
নতুন নতুন অনেক প্রার্থী পাবেন, তাদের মনের আশাটা জেনে নিবেন । সে কি জনগণের জন্য চেয়ারম্যান হতে চাই, নাকি নিজে কোটিপতি হতে চেয়ারম্যান হতে চাই ।

১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়ন বাসীকে সাথে নিয়ে,নতুন একটি দালালমুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখি ।
আসুন শোষকের পিছনে হাততালি দিয়ে নয় শোষিতের হাত ধরে টেনে তুলি ।

শুভকামনা রইল সকলের প্রতি ।

প্রচারে
মোঃ মনিরুজ্জামান মনি
সাংবাদিক

আসন্ন ১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ।

- Advertisement -spot_img
এই রকম আরো পোস্ট
- Advertisment -spot_img

সর্বশেষ