বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত (নিবন্ধন নং -২৪)

Homeআইন-আদালতসেনাবাহিনীর ভুয়া নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে মামলা।

সেনাবাহিনীর ভুয়া নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে মামলা।

মাগুরা প্রতিনিধি >>

শ্রীপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতির’রিয়া জোয়ার্দার এর বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ পত্র থেকে জানা গেছে সেনাবাহিনীর ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন এই বিপুল পরিমাণ অর্থ।
সেনাবাহিনীর ভুয়া নিয়োগ বাণিজ্য ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনায় । রেজিস্টার সেনা সদর কিউ এম জিয় শাখা পূর্ত পরিচালক প্রধান প্রকৌশলী ঢাকা সেনানিবাস কর্তৃক,১৭০/খন্ড -৮৮/৯৮ই-১ গত ৩/৩/২০১৭ অফিস সহায়ক (পিওন) পদে এ নিয়োগ পত্র প্রদান করা হয়েছে। মূল বেতন ধরা হয়েছে প্রতিমাসে-৮২৫০ টাকা স্কেল দেখানো হয়েছে ২০০১০,টাকা। এপার্টমেন্ট লেটারে স্বাক্ষর এবং সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে কর্নেল রফিকুল ইসলাম,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসও -১ প্ল্যানিং অ্যান্ড এডমিন পূর্ত পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীর।

এ ঘটনায় একাধিক সাংবাদিক কর্মির কাছে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মাসুম মন্ডল ও তার পরিবার। তারা বলেন,রিয়া,আমাদের পরিবার থেকে সেনাবাহিনীর চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিজের মাগুরা ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট (20502460201479507)এবং সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রান্সপটেকশন সিস্টেম লিমিটেডের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন। ভুক্তভোগী মাসুম মন্ডলের মা হাসিনা বেগম বলেন, রিয়া আমাদেরকে বলেন দ্রুত মাগুরা ইসলামী ব্যাংকে টাকা জমা করে দেন। তা না হলে চাকরির অ্যাপার্টমেন্ট লেটার পাঠানো যাবে না। আপনি টাকা পাঠান ঢাকা থেকে এখনই টাকা আবার তুলতে হবে। সেনাবাহিনী ও পুলিশকে দিতে হবে। ( এ বিষয়ে তিনি ঢাকা রেঞ্জের এক বিশেষ পুলিশ অফিসারের নাম ব্যবহার করেন ভুক্তভোগীদের কাছে)আমরা তার কথামতো টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে রিসিট নিজেদের কাছে রেখে দি। এ আশায় যে আমরা গরীব মানুষ শত কষ্টের টাকা দিয়ে যদি একটা সরকারী চাকরি হয় তাহলে আমাদের পরিবার বেঁচে যাবে। কিন্তু সে আমাদের সাথে প্রতারণা করে। সে একটি ভুয়া নিয়োগ পত্র ধরিয়ে দিয়েছে। এত বছর ধরে সে ঘুরাচ্ছে টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এখন টাকা চাইলে হুমকি দেয়। মাঝেমাঝেই জোর করে বিভিন্ন কাগজ নিয়ে এসে সই করতে বলে। টাকা ফেরত দিতে তালবাহানা করলে একপর্যায়ে আমরা তার নির্বাচনের সময় গাড়ি গতিরোধ করে সালিশের মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছি। বাকি ৭ লাখ টাকা এখনো আমাদেরকে ফেরত দেয়নি।অবশেষে আমরা নিরুপায় হয়ে শ্রীপুর থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত জানতে,শ্রীপুর থানার ওসি ইনচার্জকে মুঠোফোনে অবহিত করা হলে তিনি বলেন আমি অফিসিয়াল কাজে,শ্রীপুর থানা থেকে মাগুরা জেলা শহরে এসেছি থানায় ডিউটিরত অফিসারের কাছে অভিযোগ দিতে পারে। বিষয়টি আই্নিকভাবে তদন্ত করে দেখা হবে।

উক্ত ঘটনার সত্যতা আরো নিশ্চিত জানতে,রিয়া জোয়ার্দার কে মুঠোফোন ফোন করা হলে,তিনি জানান আমার ভাই চাকরির জন্য টাকা নিয়েছে,আমি কারো থেকে কোন টাকা নেইনি। তথ্য অনুসন্ধানে তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট থেকে দেখা গেছে ২৯/২/২৪ইং “জোয়ারদার স্বর্ণালী” নামীয় অ্যাকাউন্টে

২৪/১১/২০১৬ মাগুরা ইসলামী শাখা থেকে ক্যাশ ডিপোজিট হয়,এবং ওই দিনই মিন্তুু জোয়ার্দারকে দিয়ে ১৯১ মহাখালী ব্রাঞ্চ ঢাকা থেকে টাকাটি উত্তোলন করা হয়েছে ।

- Advertisement -spot_img
এই রকম আরো পোস্ট
- Advertisment -spot_img

সর্বশেষ