বুধবার, নভেম্বর ৩০, ২০২২

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত

spot_img
Homeবিশেষ সংবাদঅফিস সহায়কের পিটুনিতে হাসপাতালে হাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষক

অফিস সহায়কের পিটুনিতে হাসপাতালে হাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষক

দিনাজপুর হাজী মাহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যানসহ পাঁচ শিক্ষককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে একই বিভাগের অফিস সহায়ক (পিয়ন)। আহত শিক্ষকদের দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

হামলাকারীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তার নাম তাজুল ইসলাম। তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত আছেন।

আহত শিক্ষকরা হলেন-সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান সহযাগী অধ্যাপক রোকনুজ্জামান রনি, একই বিভাগর সহযাগী অধ্যাপক বেলাল হাসান, প্রভাষক নির্মল চদ্র রায়, প্রভাষক হারুনুর রশিদ এবং সদ্য নিয়োগ পেয়ে যোগদান করতে আসা প্রভাষক মাহবুব রহমান।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগর চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক রোকনুজ্জামান রনি বলন, ‘বুধবার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগর চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফরের কথা ছিল। এই শিক্ষা সফরে ছাত্র-ছাত্রীদর সঙ্গে দুইজন শিক্ষকও যাওয়ার কথা ছিল। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে সবার বিভাগে উপস্থিত হওয়ার কথা, কিন্তু সকাল ৯টা পেরিয়ে গেলেও কর্মচারী তাজুল ইসলাম অফিসে না আসায় তাকে ফোন করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

‘তাজুল অফিস আসলে তাকে মোবাইল ফোনের লাইন কেটে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে উল্টো তর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমেই সদ্য যোগদানকারী শিক্ষক মাহবুব রহমানের মাথায় গ্লাস দিয়ে আঘাত করেন। এরপর অন্য শিক্ষকদের এলোপাতাড়ি মাথায় আঘাত করতে থাকেন। আমি নিজে তাকে থামাতে আসলে সে আমার ওপরও হামলা করে। এতে আমার ঠোঁট কেটে যায়। এ ঘটনায় আরও চারজন শিক্ষক মাথায় আঘাত পান।‘

রক্তাক্ত অবস্থায় শিক্ষকদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। শিক্ষকদের অবস্থা অবনতি হলে দিনাজপুর অব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলেও জানান তিনি।

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক মফিজুল ইসলাম জানান, এর আগেও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অফিস সহায়ক তাজুল ইসলাম এক শিক্ষকের ওপর হামলা করেছিল। সেই সময় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। গত কয়েক মাস ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তিনি আসলেই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন, যা অনেকের ধারণা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. সাইফুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

ournews24.com এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের পছন্দ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ খবর