মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত

spot_img
Homeখেলাধুলাচলতি বছর ডিপিএল সম্ভব নয়, বিসিবির ভাবনায় জানুয়ারি

চলতি বছর ডিপিএল সম্ভব নয়, বিসিবির ভাবনায় জানুয়ারি

করোনার কারণে মার্চে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) খেলা। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস পরবর্তী ঘরোয়া ক্রিকেট মাঠে ফিরলেও চলতি বছর আর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না ডিপিএল। নতুন বছরের জানুয়ারিতে ডিপিএল শুরুর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল বাংলাদেশে সফরে আসবে। ওই সময় জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যস্ত থাকায় জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ছাড়াই সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া আসর আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বিসিবি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিসিবি গেম ডেভলপমেন্টের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন এমন তথ্য জানিয়েছেন। বলেন, ‘এ বছর (২০২০ সাল) ডিপিএল সম্ভব নয়। আমরা আগামী বছরের (২০২১ সাল) জানুয়ারিতে শুরু করতে পারি। কারণ, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে টি-টোয়েন্টি লিগ শুরু করতে এবং ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তা শেষ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই এ বছরে কোন স্লট নেই।’

খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘এর মধ্যে ক্লাবগুলোকে অনুশীলনের সুযোগ দিতে হবে। খেলোয়াড়দের একত্রিত করতে হবে। তাই আমি মনে করি না, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বা ১০ তারিখ ডিপিএল শুরু করা সম্ভব হবে।’

এছাড়া ক্লাবগুলো যদি জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে চিন্তা করে তাহলে পরের বছরও ডিপিএল আয়োজন কঠিন হবে বলে জানান সুজন। বলেন, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলা সময়ও আমাদের দেশে ঘরোয়া ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হতো। আমরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না। তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেললে, ঘরোয়া আসরে খেলতে পারবে না। এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি ক্লাবগুলো চিন্তা করে, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ছাড়া খেলতে পারবে না, তবে সিরিজ শেষ হওয়ার পর লিগ নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। আগামী বছরটিতে অনেক বেশি ব্যস্ততা থাকবে। আপনি হয়তো সুযোগ নাও পেতে পারেন। আমার মনে হয় না, মার্চ-এপ্রিলে (২০২১ সাল) আমাদের কোন ফ্রি সময় আছে।’

দেশে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অনেক সমস্যার থাকলেও ডিপিএল অব্যাহত রাখতে সমস্যা নেই বলে জানান তিনি। বলেন, ‌‘দেখুন, ডিপিএলে ১২টি দল রয়েছে। যদি ১৫ জন খেলোয়াড় থাকে তবে প্রতিটি দলে খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজমেন্টসহ কমপক্ষে ২০ জন হবে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় প্রশ্ন হচ্ছে, যেখানে প্রায় ২৪০ জন লোকের থাকার জায়গা আছে। আমরা বিকেএসপির কথা বলছি, যেখানে এতো মানুষের জায়গা দেওয়া যেতে পারে। আমরা এটিই করার চেষ্টাই করছি, যেখানে আমরা জৈব-সুরক্ষা বলয় করতে পারি।’

তবে বিসিবি খেলোয়াড়দের আর্থিক বিষয় নিয়েও চিন্তা-ভাবনা করছে। কারণ, বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের পরিবার ডিপিএলের উপর অনেক বেশি নির্ভর করে থাকে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিসিবি সভাপতিও এ ব্যাপারে ইতিবাচক, আমরা যদি প্রিমিয়ার লিগ শুরু করতে পারি। তবে এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ছেলেদের রক্ষা করা। সৃষ্টিকর্তা না করুক, এতো মানুষের মধ্যে যদি তা (করোনাভাইরাস) ছড়িয়ে পড়ে, তবে লিগটি পরিচালনা করা কঠিন হবে।’

এছাড়া ক্লাবগুলোকে প্রণোদনা দেওয়ার মতো বিসিবি অবস্থাতে নেই উল্লেখ করে ঋণের বিষয়ে কথা বলেন তিনি। বলেন, ‘প্রণোদনা হিসাবে ক্লাবকে অর্থ দেবে না বিসিবি। তবে ক্লাবগুলোর জন্য ঋণের ব্যবস্থা করতে পারে বিসিবি। আমি মনে করি না, ক্লাবগুলো খেলোয়াড়দের অর্থ প্রদানে সক্ষম নয়। দেশে এখন সবকিছু চলছে। এখন সকলে কাজ করছে এবং পোশাক শিল্প চলছে। আমি জানি, এটি ক্লাবগুলোর পক্ষে কঠিন হবে। তবে এটি এতোটা কঠিন হবে না যে, এটি প্রিমিয়ার লিগ এবং তাদের ক্লাবগুলো পরিচালনা করতে সক্ষম হবে না।’

আওয়ারনিউজটোয়েন্টিফোর.কম এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের পছন্দ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ খবর