৭টি হাঁস ও ১৪টি মুরগী চুরির মামলায় সাবেক উপমন্ত্রী সালাম পিন্টুর বিচার শুরু

298

কামাল হোসেন, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ বিএনপি নেতা সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামী বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুকে বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল আদালতে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২০১২ সালে ভূঞাপুর থানায় দায়ের করা ভাঙচুর, লুটপাট, হাঁস ও মুরগী চুরির একটি মামলায় অভিযোগ দায়ের  করা হয়েছে।

এ ঘটনার ১১ বছর পর ভূঞাপুরের আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম ভূইয়া লেবু মামলাটি দায়ের করেন। আর অভিযোগ গঠন করা হলো মামলা দায়েরের সাত বছর পর। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩নং আদালতের বিচারক নওরীন মাহবুবা এই অভিযোগ গঠন করেন।

আদালত সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আব্দুস সালাম পিন্টুকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে আনা হয়। তাকে আদালতে তোলা হয় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায়। একই সাথে মামলার অন্য আসামীদেরও আদালতে তোলা হয়।

আসামীপক্ষের আইনজীবীরা বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টুকে এই মামলার দায় হতে অব্যহতির আবেদন জানান। বিচারক শুনানী শেষে এই আবেদন নামঞ্জুর করে সংশ্লিষ্ট ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। তার বিরুদ্ধে উল্লেখিত অপরাধে প্ররোচণা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত অন্য আসামীদের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আইনজীবীরা মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আব্দুস সালাম পিন্টুর সাথে ২০ মিনিট কথা বলেন। আদালতের কার্যক্রম শেষে তাকে আবার কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

ভূঞাপুর উপজেলার ভদ্রশিমুল গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম ভূইয়া লেবু ঘটনার ১১ বছর পর ২০১২ সালের ১৩ অক্টোবর বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১১জনকে আসামী করে এই মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় একজন আসামী পলাতক রয়েছেন।

মামলার বাদী অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন অর্থাৎ ২০০১ সালের ১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে আব্দুস সালাম পিন্টুর নির্দেশে অন্য আসামীরা বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এছাড়া আসামীরা নগদ টাকা, টিউবওয়েলের মাথা, সাতটি হাঁস ও ১৪টি মুরগী চুরি করে নিয়ে যায়।

আব্দুস সালাম পিন্টুকে দেখার জন্য বিএনপি নেতাকর্মীরা আদালতে ভীড় করেন। আগামী ২৯ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। ২০০১ সালের নির্বাচনে আব্দুস সালাম পিন্টু চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। পরে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here