হেলে যাওয়া ঝুকিপূর্ণ সেই বৈদ্যুতিক পিলারটি হেলেই আছে!

68

নীলফামারী সংবাদদাতা: ১১ হাজার কেভি লাইনের একটি বৈদ্যুতিক পিলার দ্বিতলা একটি বাড়ীতে হেলে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একটি শিশু নিহত হলেও ৬ দিনেও সেই  পিলারটিকে যথাস্থানে সোজা করা হয়নি। এনিয়ে এলাকাবাসির মধ্যে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

সরেজমিনে দেখা যায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে নীলফামারী শহরের মুন্সিপাড়া আর ডি আরএস অফিস সংলগ্ন নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেডের (নেসকো) ১১ হাজার কেভি লাইনের একটি পিলার সাপ্তাহিক নীল সমাচার পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল্লাহ্’র দ্বিতল ভবনে হেলে পড়ে। পিলারটি হেলে পড়ায় বৈদ্যুতিক তার গুলো ভবনটির ছাদের খুব কাছাকাছি ও  দেয়াল লেগে যায়। এদিকে গত ৮ মে সাংবাদিক আবদুল্লাহ্’র বাড়ীতে আট বছরের ছেলেকে নিয়ে বেড়াতে আসে তার বড় শালিকা নুরবানু। ওই দিন বিকেলে সকলের অজান্তে মায়ের সাথে আসা আট বছরের আরমান হোসেন বাবু বাড়ীর ছাদে উঠে হেলে পড়া সেই বিদ্যুতের তার স্পর্শ করলে ছাদে ছিঁটকে পড়ে। বাড়ীর লোকজন তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করার কিছুক্ষণ পড়ে সে মারা যায়। আরমান হোসেন বাবু শহরের বড় মসজিদ এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা আবু হোসেনর পুত্র ও স্থানীয় একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।

সাংবাদিক আবদুল্লাহ জানান  দূঘটনার পরপরেই বিষয়টি স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগকে অবগত করা হয়। কিন্তু আজ ৬দিন অতিবাহিত হলেও এখন পিলারটি সোজা করা হয়নি। এমনকি বিদ্যুৎ অফিসের কেউ এই ঘটনায় সমবেদনা জানাতেও আমার বাড়ীতে আসেনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান পিলারটি হেলে পড়ায় বর্তমানে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। চলাচল সড়কের পার্শ্বেই হওয়ায় যে কোন মূর্হুতে বড় কোন দুর্ঘটনার আশংকা করছেন তারা।

নীফফামারী বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী নওশাদ আলী জানান গত রবিবার রাতের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুতের লাইন মেরামত করার কারণে পিলারটি সোজা করতে বিলম্ব হচ্ছে। আগামী দুএকদিনের মধ্যেই পিলারটি ঠিক করা হবে বলে তিনি জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here