হাইকোটের্র রায়ের বিরুদ্ধে নাজমুল হুদার লিভ টু আপিল

53

ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে দুনীির্তর দায়ে চার বছর দÐ দিয়ে হাইকোটের্র রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। একই সঙ্গে জামিন আবেদনও করেছেন তিনি। মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান এ বিষয়ে শুনানির জন্য ১৩ জানুয়ারি পূণার্ঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। আদালতে নাজমুল হুদার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা। দুনীির্ত দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। পরে খুরশীদ আলম খান বলেন, হাইকোটের্র রায়ের বিরুদ্ধে তিনি লিভ টু আপিল দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে জামিন আবেদনও করেছেন। চেম্বার জজ ১৩ জানুয়ারি আবেদনের শুনানির জন্য পূণার্ঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। ৬ জানুয়ারি এ মামলায় আত্মসমপের্ণর পর নাজমুল হুদাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক এইচ এম রুহুল ইমরান। নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২১ মাচর্ দুদকের উপ-পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম ধানমÐি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে’র জন্য মীর জাহের হোসেনের কাছ থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদা। ২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মামলাটির রায়ে নাজমুল হুদাকে সাত বছরের কারাদÐ ও আড়াই কোটি টাকা জরিমানা করেন। তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের কারাদÐ দেয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা আপিল করলে ২০১১ সালের ২০ মাচর্ তাদের খালাস দেন হাইকোটর্। পরে দুদক আপিল করলে ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর খালাসের রায় বাতিল করে হাইকোটের্ পুনঃশুনানির নিদের্শ দেন আপিল বিভাগ। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল আদেশ পুনবিের্বচনার (রিভিউ) আবেদনও খারিজ করে দেন সবোর্চ্চ আদালত। এরপর হাইকোটের্ এ মামলার পুনঃশুনানি নেয়া হয়। সুপ্রিম কোটের্র আপিল বিভাগের আদেশে পুনঃশুনানির পর ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোটর্ বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ে নাজমুল হুদার সাজা কমিয়ে চার বছর কারাদÐ দেয় হাইকোটর্। একই রকম মামলায় তিন বছরের কারাদÐপ্রাপ্ত তার স্ত্রী সিগমা হুদার কারাগারে থাকাকালীন সময়কে সাজা হিসেবে গণ্য করেছেন। বিচারিক আদালত যেদিন রায় গ্রহণ করবেন, সেদিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে আত্মসমপের্ণর কথা বলা হয়েছে। গত বছরের ১৮ নভেম্বর সুপ্রিম কোটের্র ওয়েবসাইটে ৬৭ পৃষ্ঠার রায়টি প্রকাশ পায়। রায় অনুসারে গত ৬ জানুয়ারি আত্মসমপর্ণ করেন তিনি।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here