সিলগালা করা হবে বিজিএমইএ ভবন

12

স্টাফ রির্পোটার: বিকাল পাচঁটার পর বিজিএমইএ এর গেট সিলগালা করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজউক এর পরিচালক (প্রশাসন) খন্দকার অলিউর রহমান। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে তিনটায় বিজিএমইএ  ভবনের সামনে এসব কথা বলেন তিনি।  তিনি বলেন, বিজিএমইএ থেকে বিকাল পাচঁটা পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছিলো। আমরা দিয়েছি। তারপর আর সময় বাড়ানো হবে না। বিকেল পাঁচটার পর বিজিএমইএ এর মূল ফটক সিলগালা করে দেওয়া হবে। তারপর ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। অলিউর রহমান ও রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস:

এ সময় রাজউক এর প্রধান প্রকৌশলী এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস বলেন, বিজিএমইএ এর ভবনের কারণে হাতিরঝিলের পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হতো। এ ভবন সরে গেলে  এ সমস্যা দূর হবে। এই ভবন অপসারণের জন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে তা নির্ধারণের জন্য চায়না থেকে বিশেষজ্ঞ দল আনা হয়েছে। নিয়ন্ত্রিত বিষ্ফোরণের মাধ্যমে ভবন অপসারণ করা হবে সেনাবাহনীর সহায়তায়।

২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে ভবনটি বিজিএমইএর প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিলো কিন্তু রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ান বাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সাল ০৩ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন কেন ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়ে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) রুল জারি করেন।

২০১১ সালের ০৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তার রায়ে বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ভবনটি নির্মাণের আগে ওই স্থানের ভূমি যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেও নির্দেশ দেন বিজিএমইএকে।

তারপর ভবন ভাঙার জন্য তিন দফায় আদালত থেকে সময় বাড়িয়ে নেয় বিজিএমইএ।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here