রাস্ট্রভাষা আনন্দোলন ও আমাদের শামসুল হক!

157

খন্দকার শাহীন আফরোজঃ ২১শে ফের্রুয়ারীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ছাত্র জনতার সমাবেশে সর্বদলীয় রাস্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখার জন্য বিশাল মিছিল নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্যশামসুল হক আসেন।রাস্ট্রভাষা আনন্দোলনের বীরসেনানী শামসুলশেষ জীবনে সবর্হারা হয়ে মানুষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন এবং অত্যন্ত অসহায় ও র্নিমমভাবে তার মৃত্যু হয়।র্দীঘদিন এই সংগ্রামী নেতার মৃত্যু ও সমাধী সংক্রান্ত তথ্যাবলী অজানা রহস্যাবৃত ছিলো। সম্প্রতি তার মৃত্যুর তারিখ ও সমাধী আবিস্কৃত হয়েছে বলে পত্রিকান্তরে জানা যায়।

রাস্ট্রভাষা আনন্দোলন ও আমাদের শামসুল হক! সবর্কালের সর্বশ্রেষ্ট সন্তান ছাত্র-রাজনীতির টাঙ্গাইলের শামসুল হক।কালের বির্বতনে অনেকের দৃষ্টি চেতনার আড়ালে এই নামটি স্বরণ না হলেও ইতিহাসের পাতায় তিনি উজ্জল নক্ষত্র!

সে আর কেউ নয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা শামসুল হক।আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি। গত পহেলা জানুয়ারী ২০১৯ ছিলো তার জন্মশত বার্ষিকী। রবিবার ৩-০২-২০১৯ তারিথে জাতীয় যাদুঘর  কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে মৃত্তিকা বাংলাদেশ আয়োজিত আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা-সাধারণ সম্পাদক ও ভাষা আনন্দোলনের শীর্ষ নেতা শামসুল হক’র বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের উপর আলোচনা অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক একুশের পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা.মির্জা মাজহারুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথিঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যলয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, বিশিষ্ঠ রাস্ট্রবিজ্ঞানী,প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বক্তব্যে বলেন,১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পরপরই কিছুসংখ্যক প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী একত্রিত হয়ে গঠন করেন,গণতান্ত্রিক যুবলীগ।

এরা বাংলাভাষাকে তৎকালীন র্পূব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহনও আইন আদালতের ভাষা করার কথা বলেন।আর এই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত ছিলেন শামসুল হক।তিনি ১৯৪৮ সালের ৫ই মার্চ হরতাল কর্মসুচিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গওরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখেন।১৯শে র্মাচ পাকিস্তানেরর মুহম্মদ আলী জিন্নার ঢাকায় অগমনের পর পর ২১ র্মাচ ঢাকার রের্সকোস ময়দানে এবং ২৪ র্মাচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমার্বতন অনুষ্টানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উর্দুকে একমাত্র রাস্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন।

ভাষা আনন্দোলনে শামসুল হক সাহসী ভূমিকার জন্য সারার্পূ্ব পাকিস্তানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরো বলেন,রোজ গার্ডেন মিউজিয়াম হতে যাচ্ছে। সেখানে বঙ্গবন্ধুর পাশেই আঃলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকের নামটিও থাকবে। এই ভাষার মাসে ভাষা আননন্দোলনে প্রথম গ্রেফতার হোন শামসুল হক আর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মির্জা মাজহারুল ইসলাম বলেন,জমিদার দালালদের কবল থেকে জনতার অধিকার আদায়ে অন্যতম ভূমিকা রেখেছেন শামসুল হক।

স্বাধীনতার স্বপক্ষ্যের রাস্ট্রের নিকট সভাপতি ভাষা সৈনিক র্মিজা মাজহারুল ইসলাম দাবি জানান টাঙ্গাইলে কিংবা  দেশের যে কোন জেলায় এই রাজনীতিবিদের নামে বিজ্ঞান প্রযুক্তি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের।

এসময়ে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা ডেপুটি রেজিঃ,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।আনোয়ার উল আলম শহীদ সাবেক সচিব,রাস্ট্রদূতও রানাঙ্গণের বীরসেনানী, ডা. সাইফুল ইসলাম স্বপন,চেয়ারম্যান শামসুল হক ফাউন্ডেশন প্রমুখ নের্তৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন শাসুল আলম কমল,ও শফি কামাল।অনুষ্ঠান শেষে ভাষা সৈনিকদের মাঝে বিশেষ এ্যাওর্য়াড দেয়া হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here