বুঝতে পারছি,দিদি কেন হিংসার রাস্তা নিচ্ছেন”মোদী

59

কলকাতাপ্রতিবেদকঃ এক দিনে দু’টি সভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ শনিবার প্রথম সভাটি করলেন ঠাকুরনগরে। আর তাঁর দ্বিতীয় সভাটি  দুর্গাপুরে। জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গাঁধী, রাজীব গাঁধীর পর এ বার নরেন্দ্র মোদী। ১৯৮৬ সালে দুর্গাপুরে এসেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গাঁধী। ৩২ বছর বাদে ফের কোনও প্রধানমন্ত্রী এই শহরে এলেন। দুর্গাপুরের নেহরু ও এসএসপি স্টেডিয়ামে এই সভা হবে। স্টেডিয়ামের চারপাশ নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। স্টেডিয়ামের পশ্চিম প্রান্তে বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে মোদীর সভার জন্য। শহর জুড়ে মোদী ও বিজেপি নেতাদের কাটআউট লাগানো হয়েছে।

এদিন সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে নামেন নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকে বায়ুসেনার চপারে করে ঠাকুরনগরে পৌঁছন। তখন বেলা প্রায় ১২টা। বড়মার সঙ্গে দেখাও করলেন। তার পর হাজির হলেন সভামঞ্চে। ওই মঞ্চ থেকেই  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মোদী।

এ দিন তাঁর জনসভাকে ঘিরে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মোদী সভামঞ্চে উঠতেই চারদিক ‘মোদী…মোদী’ ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানে মুখরিত হয়। তাঁর কয়েক মিনিটের বক্তব্যে উঠে আসে এ রাজ্যে তৃণমূলের ‘দাদাগিরি’র প্রসঙ্গ। মমতাকে আক্রমণ করে বলেন, “এত ভিড় দেখে বুঝতে পারছি, দিদি কেন হিংসার রাস্তা নিচ্ছেন।” শুধু তাই নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এ রাজ্যে যে সিন্ডিকেট ট্যাক্স দিতে হবে না মানুষকে সে কথাও বলেন তিনি। বক্তৃতা শেষ করেই সোজা দুর্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেন মোদী। ঠাকুরনগরে যে ভাবে মমতা ও তাঁর সরকারকে আক্রমণ করেছেন মোদী, দুর্গাপুরে সেই আক্রমণের ঝাঁঝ কী আরও তীব্র হবে, সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক মহল এখন সে দিকেই তাকিয়ে।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here