পাকিস্তানের তরুণদের হাতে যেভাবে গ্রেফতার হলেন ভারতীয় পাইলট

41

আন্তজাতিক সংবাদঃ কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে হামলার জবাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাল্টা হামলায় দেশ দুইটির মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে গতকাল বুধবার কাশ্মীরে আকাশ সীমানা লঙ্ঘন করায় ভারতের দুইটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। এর মধ্যে একটি বিমান কাশ্মীরে ভারত সীমান্তে পড়লেও অপরটি পড়ে পাকিস্তানের মধ্যে। ওই বিমানে থাকা পাইলটকে আটক করা হয়। পরে তার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। খবর দ্য ডনের।

পাইলট অভিনন্দন কে পাকিস্তানের তরুণেরা আটকের পরে পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক সংবাদ মাধ্যমটিতে বলা হয় ,নিয়ন্ত্রণরেখার সাতকিলোমিটার ভেতরে গতকাল বুধবার সকাল আটটা৪৫ মিনিটে যুদ্ধবিমানের লড়াই হয়। বিমান দুটিতে আগুন লেগে যায়। এর একটি বিমান নিয়ন্ত্রণরেখা ধরে এগিয়ে ভারতের সীমান্তে গেলেও অন্যটি দ্রুত নিচে নামতে থাকে।সেই সাথে বিমানটি পাকিস্তান সীমান্তে পড়ে যায়। এসময় প্যারাস্যুট নিয়ে নেমে আসেন ভারতীয় পাইলট অভিনন্দন। নেমেই অভিনন্দন দ্রুত একটি পুকুরে ঝাপঁদেন এবংতার সাথে থাকা কিছু কাগজ গিলে ফেলার চেষ্টাসহ জলে ভিজিয়ে নষ্ট করার চেষ্টা করেন। এসময় অভিনন্দনকে পাকড়াও করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের তরুণেরা ছুটে যান।

কিন্তু অভিনন্দনের কাছে পিস্তল থাকায় তার কাছে কেউ যেতে পারেনি। তিনি তখন জায়গাটি ভারত না পাকিস্তান তা তরুণদের কাছে জানতে চান। একজন জানান, এটি ভারত। তখন ওই পাইলট ভারতীয় স্লোগান দেন। সাথে সাথে পাল্টা পাকিস্তান শ্লোগান দেন তরুণরা। তখন তিনি বুঝতে পারেন পরিস্থিতি। নিজেকে আহত বলে জানান এবং পানি চান।

কিন্তু কয়েকজন তরুণ তার ওপর আক্রমণাত্মক হলে তিনি পিস্তল বের করেন। তখন তরুণেরা পাথর হাতে তুলে নেন। অভিনন্দন দৌড়ে প্রায় আধা কিলোমিটার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাকে যে তরুণেরা তাড়া করছিলেন, তাদের দিকে পিস্তল

তাক করে শূন্যে গুলি ছোড়েন অভিনন্দন। পরে তিনি পুকুরে ঝাঁপ দেন। তরুণেরা তাকে অস্ত্র ফেলে দিতে বলেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। এ সময় এক তরুণ তার পায়ে আঘাত করেন।

আঘাত করার সাথে সাথে অভিনন্দন তাকে মেরে না ফেলার আহ্বান জানান।এর মধ্যেই দুই তরুণ তাকে ধরে ফেলেন।কয়েকজন তার ওপর ক্ষিপ্ত হলে কায়েকজন তাদের নিবৃত্ব করার চেষ্টা করেন। এর মধ্যেই পাকিস্তানের সেনারা চলে আসে এবং অভিনন্দনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয়।পরে তাকে সেনা বাহিনীর গড়ীতে করে সেনাবাহিনীর ভিমবার এলাকায় সেনা স্থাপনায়।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here