দু্ইরাত আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

11
rape-police-rtvonline

মানিকগঞ্জের খবরঃ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার ডাকবাংলোতে দুই রাত আটকে রেখে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সাটুরিয়া থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনা রবিবার নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাটুরিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ধর্ষণের সময় জোর করে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনে বাধ্য করা হয়েছে বলেও ওই তরুণী অভিযোগপত্রে ঊল্লেখ করেছেন।

অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী তরুণীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, সম্পর্কে তার এক খালা সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দর হোসেনের কাছে ব্যবাসায়িক সূত্রে প্রায় তিন লাখ টাকা পাওনা ছিল। সেই টাকা আদায়ের জন্য গত বুধবার বিকেল ৫টার সময় খালার সাথে ওই তরুণী সাটুরিয়া থানায় যান। সেখানে সেকেন্দারের সাথে দেখা হলে এই পুলিশ কর্মকর্তা তাদের দুজনকে সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পরে সেখানে উপস্থিত হয় সাটুরিয়া থানার এএসআই মাজহারুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়েছে, দুজনে মিলে অভিযুক্ত তরুণী ও তার খালাকে পৃথক ঘরে আটকে রাখেন। এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করেন এবং জোর করে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। দু’দিন আটকে রাখার পর শুক্রবার সকাল দু’জনকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেয়া হয়।

গত রবিবার এ বিষয়ে ধর্ষিতা তরুণী মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার খোঁজ খবর নিয়ে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এসআই সেকেন্দার হোসেনের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহারের বিষয়টি স্বীকার করলেও কারণ সম্পর্কে কোন ধারণা নেই বলে জানান।  ধর্ষণের অভিযোগে সেকেন্দার ও মাজহারুলকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ওসি আমিনুল ইসলাম।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here