ক্রাইস্টচার্চ হামলাকারী লাইভ করে হত্যার দৃশ্য

36

আন্তর্জাতিক সংবাদ: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরে মসজিদে অজ্ঞাত বন্দুকধারীর হামলার অন্নত ২৭ জন নিহত,আরো আহত হওয়ায়,দেশটির পুলিশ সে দেশের সকল মসজিদ একদিনের জন্য বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

এছাড়া ইতিমধ্যে চার সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটকের খবর জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। তবে দেশটির পুলিশ নিরাপত্তার জেরে আজকের জন্য দেশের সব মসজিদ বন্ধ রাখার অনুরোধ করেছে।

এছাড়াও নিকটবর্তী একটি স্থানে বোমা পাওয়াগেছে। হামলাকারীর একজন নিজের হেলমেট ক্যামেড়ায় অনলাইনে লাইভ করেছিল গুলিতে মানুষ হত্যার দৃশ্য।এদের মধ্যে এক বন্ধুকধারী নিজের নাম“ব্রেন্ট ট্যারেন্ট”বলেছেন।২৮ বছর বয়সের শেতাঙ্গ ঐ হামলাকারীর জন্ম অস্ট্রেলিয়ায় বলেও জানাগেছে।বন্দুকধারীর হেলমেটে বসানো ক্যামেরায হামলার পুরো ঘটনার ভিডিও হয়েছে এবং অনলাইনে সেটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

হামলার সাথে জড়িত সন্দেহে মোট চারজনকে ইতিমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ৩জন পুরুষ একজন মহিলা। তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।আর আটক একজন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক বলে জানাগেছে।

বন্দুকধারী ক্রাইস্টচার্চের ডিন্স এভিনিউতে আল নূর মসজিদের দিকে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় ‘লাইভ’ সম্প্রচার শুরু হয়।

সে একটি ড্রাইভওয়ের কাছে তার গাড়ি পার্ক করে। গাড়িতে চালকের পাশের আসনে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রচুর গুলি দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে পেট্রোল ভর্তি কয়েকটি ক্যানও ছিল।

ঐব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মসজিদের দিকে হাঁটতে শুরু করে। মসজিদে ঢোকার পথেই সে একজনকে গুলি করে। এর পরে মসজিদের ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি করতে শুরু করে। আত্মঘাতি বেশ কয়েকবার তার সেমি-অটোমেটিক আগ্নেয়াস্ত্রটিতে গুলি ভরে (রি-লোড) এবং এলোপাতাড়ি গুলি করে। এভাবে প্রায় তিন মিনিট ধরে গুলি করার পর সে মসজিদের সামনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যায়।

রাস্তায় দিকে যাওয়ার সময় সে আশেপাশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তবে নিউজিল্যান্ডের পুলিশের পক্ষ থেকে ঐ ভিডিও শেয়ার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here