কৃষ্ঞচুড়ার রঙে রঙে রাঙিয়ে তুলেছে রাজধানীকে

124

খন্দকার শাহীন আফরোজ: কৃষ্ঞচুড়ার রঙে রঙে রাঙিয়ে তুলেছে রাজধানীকেফুলে ফুলে ভরে গেছে রাজধানীর রাজপথের দু’দ্বারে সারি সারি কৃষ্ঞচুড়ার গাছে গাছে।শুধু কি তাই সংসদ ভবণ থেকে ঢাকার বলদা’র গার্ডেন থেকে অলিতে গলিতে,স্কুল কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে ,যে দিকে চোখ যায় শুধু ফুল আর ফুল! , মধু এ বসন্ত মাসে ফুলে ফুলে ভরেগেছে  রাজধানী।এযেনো রঙিন সাঝে রাজধানীকে সাজিয়ে তুলেছে রাস্তার দুপাশে দাড়িয়ে থাকা নানা ফুলের গাছগুলো।

কৃষ্ঞচুড়ার রঙে রঙিন করে তুলেছে তীব্র এই তাপদাহ রোদে যে দিকে তাকানো যায় চোখ ধা ধা নো সব ফুল যেনো মনের মাধুরীতে এক রঙিন দোলা দিয়ে যায় পথোচারীদের।পাতাহীন ডালে ডালে  শোভা পাচ্ছে  না না রঙের কৃষ্ঞচুড়া! তার সাথে ডানা মেলেছে বাহারী বাগান বিলাস। ফুটেছে  রঙ্গণ , বেলী, গন্ধরাজ, টগর,হাসনা হেনা গোলাপ আর বকুল ফুলের সৌরভে পথোচারিও দাড়িয়ে  এসব ফুলের সিন্গ্ধ সুভাষ প্রতি নি:শ্বাসে গ্রহণ করছেন।

বাসন্তির দখিনা হাওয়ায় ভর করে- মধুমাস প্রকৃতিকে রাঙ্গিয়ে ঋতুরাজ।‘ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান, আমার আপনহারা প্রাণ, আমার বাঁধনছেড়া প্রাণ’এই তপ্ত দাবদাহে উথাল-পাথাল উদাসি হাওয়ায় আজ ভেসে যায় বাঁধনছেড়া প্রাণ। কৃষ্ঞচুড়া যেনো রঙ হৃদয়ে এঁকে দেয় নিসর্গের অন্য এক অনুভূতি। একঝলক মিঠেল হাওয়া ভালো লাগার পরশ বুলিয়ে দেয় হৃদয়ের অলিগলিতে। পাতাঝরা ডালে ডালে লুকিয়ে থাকা বসন্তের কোকিলের মতই গান মন ছুঁয়ে যায়, পাজর ভরে যায় শেষ বকুলের ঘ্রাণে। জীবনের সব দুঃখ বেদনা, ক্লান্তি-শ্রান্তি ভুলিয়ে দেয়  দখিনা হাওয়া। ফুল ফুটবার এই পুলকিত দিনে কাননে কাননে পারিজাতের রঙের কোলাহলে চারদিক পরিপূর্ণ।

রাজধানীর হাতির ঝিল, সংসদ ভবণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলার মাঠ,পাবলিক লাইব্রেরী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ী ৩২ নম্বরে বকুল ফুল যেনো পথোচারিকে বলছে বসে যাও পথিক দেখো কি সুভাষ ছড়িয়ে দিয়েছি আমি এই তপত্ত দাবদাহে, ঐতিহ্যবাহী রমনার পার্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা পাঙ্গনে শুধু বকুলের সুভাষ নয় এখানেও নাগলিঙ্গ যেনো এক মধুর আবির ছড়িয়ে দিয়েছে। আর তাপদহ এই রোদে ন্যামফ্লাটের সামনে ,মানিক মিয়া এ্যাভিনিউর রাস্তার দুই পাশে ঝিলিক দিচ্ছে স্বর্ণলতা মৃধু বাতাসের হিল্লোলের ফাকে ফাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here