কুমিরের হামলায় ইন্দোনেশিয়ান নারী বিজ্ঞানীর মৃত্যু

102

পোষ্য কুমিরের হামলায় মৃত্যু হল এক । সুলাওয়েসির একটি দ্বীপে এই ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। উত্তর সুলায়েসির মিনাহাসার পার্ল ফার্মের গবেষণাগারের প্রধান ছিলেন ৪৪ বছরের ডেইজি তুয়ো। গত বৃহস্পতিবার তার ওপর ১৪ ফুট লম্বা কুমির ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার সহকর্মীরা শুক্রবার সকালে ডেইজির অর্ধ খাওয়া দেহ উদ্ধার করেন।

তদন্তকারী এক পুলিস কর্মকর্তা জানান, ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে তিনি কোনোভাবে কুমিরের পাল্লায় পড়ে গিয়েছিলেন এবং সেখান থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেননি। তবে ঘটনাটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হচ্ছে। জানা গেছে, মেরি নামের ওই কুমিরটি নারীর একটি হাত খেয়েছে এবং পেটের অনেকটা অংশ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নারী বিজ্ঞানীর দেহের যে অংশগুলি নিখোঁজ, পুলিশ মনে করছে সেগুলি এখনও কুমিরের পেটে রয়েছে।

দৈত্যকার ওই কুমিরটিকে দ্বীপ থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সোমবার তাকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ দিয়ে আচ্ছন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ও সেনাসহ মোট ১২ জন মিলে ওই কুমিরটিকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যায়। ওই কুমিরটিকে বেআইনিভাবে কেনা হয়েছিল। পরে ইন্দোনেশিয়া সরকার কুমিরটিকে সুলাওয়েসির দ্বীপের সংরক্ষিত এলাকায় রেখে দেয়।

জানা গেছে, এর আগেও এই দ্বীপে কুমিরের হামলায় মৃত্যু হয়েছে অনেকের। ২০১৬ সালের এপ্রিলে রাজা আমপাত দ্বীপে কুমিরের হামলায় মৃত্যু হয় এক রাশিয়ান নাগরিকের। ইন্দোনেশিয়ার এই দ্বীপটি ওয়াটার স্পোর্টসের জন্য বেশ জনপ্রিয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here