কালভার্ট নয় এ যেন এক মরণফাঁদ

48

পাকুন্দিয়ার খবরঃ কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের দরদরা পাগলনাথ আশ্রমের নিকট বরাটিয়া-মরুরা-হিজলীয়া রাস্তার ত্রি-মোহনায় অবস্থিত কালভার্টের মধ্যে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দিনে-রাতে হরহামেশাই ঘটছে মারাত্মক দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙা এ কালভার্ট দিয়ে প্রতিদিনই বিভিন্ন যানবাহনসহ শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। পুরনো এ কালভার্টের ইট, প্লাস্টার খসে পড়েছে। মাঝখানটাই বৃহৎ গর্তের কারণে পথচারী গর্তে পড়ে হাত-পা ভাঙছে। যানবাহনের চাকা গর্তে ঢুকে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

হিজলীয়া গ্রামের মুরগীর ব্যবসায়ী খালেক মিয়া জানান, রাতের বেলায় সাইকেল ও মোটরসাইকেল আরোহীরা কালভার্ট পারাপারের সময় গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। বরাটিয়া গ্রামের শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, চরাঞ্চলের কৃষকেরা সবজি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে পাকুন্দিয়া বাজারে আসে। কালভার্টি ভাঙ্গা থাকায় তারা ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জরাজীর্ণ ভাঙ্গা কালভার্টটি পুনর্নির্মাণ এলাকাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে গ্রামীণ রাস্তায় কমবেশি ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় দরদরা পাগলনাথ আশ্রমের নিকট ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের কালভার্ট নির্মাণের জন্য টেন্ডার দেওয়া হলেও মামলা জনিত কারণে কাজ শুরু করা যায়নি। টেন্ডার লটারিতে প্রথম হয়েও ওয়ার্ক অর্ডার না পাওয়ায় মামনি কনস্ট্রাকশন আদালতে মামলা করেন।

এ ব্যাপারে বর্তমান প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রওশন করিমের নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের  বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি এবং আমার জানামতে বিষয়টি মামলাধীন থাকায় এর নির্মাণ কাজ শুরু করা যায়নি।

এদিকে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে বলেন, মামলা জনিত কারণে কালভার্টের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here