ঈদের আনন্দে যমুনার তীরে ভ্রমণ বিলাসিদের উপচেপড়া ভিড়!

137

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর প্রতিনিধি কামাল হোসেন : ঈদুল ফিতর নিয়ে এসেছে টাঙ্গাইলবাসীসহ দুরদূরান্তের মানুষের মাঝে  আনন্দের উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া যমুনার ঢেউয়ের মতই হৃদয়ে যেনো পরন্ত বেলায় যমুনার সূর্যাস্ত রংছড়িয়ে দিয়ে যাচ্ছে।

যমুনার সুন্দর্য আর অস্তো যাওয়া সূর্য সেই সাথে বঙ্গবন্ধু সেতু দেখার জন্য যমুনার জলের মতই মানুষের মাঝে ঢেউ বয়ে যাচ্ছে: যমুনা নদীও এখন মানুষের ভীড়ে হয়ে উঠেছে উৎসব মুখোর!

টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার যমুনার তীরে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে বিনোদন প্রত্যাশীদের ঢল নেমেছে ঈদের থেকেই।যদিও বছর জুড়েই কমবেশী থাকে,“তবে ঈদকে ঘিরে” জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলাশহর থেকে আসছে সর্বাধিক।এখানে  বিনোদন প্রেমীরা বঙ্গবন্ধু সেতুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা যমুনা রির্সোট,শিশু পার্ক ক্যানন্টমেন্টসহ যমুণার চরের সৌন্দর্য, প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য দেখার জন্য শহর জীবনের ইট-পাথরের পাজর থেকে বাহির হয়ে ঈদের এই ছুটিতে প্রকৃতির মাঝে ছুটে যাওয়া মানুষেরা “ঈদের দিন ” থেকে অদ্যাবধি পরিবার পরিজন নিয়ে মানুষ ছুটে আসছে যমুনা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে উপভোগ করার জন্য যমুনার তীরে আর  নীলজলে ছাড়ছেন ভিতরের যতো বিষাক্ত নি:শ্বাস,গ্রহণ করছেন বিষাক্তমুক্ত প্রকৃতির নি:শ্বাস।

ঈদের দিন থেকেই সেখানে ভিড় যেনো কমছেই না ! যতই দিন যাচ্ছে দর্শনার্থীদের আগমন বেড়েই চলেছে। এখানে প্রতিদিন টাঙ্গাইলসহ এর আশেপাশের জেলার মানুষই বেশি আসছে।

পরিবার-পরিজন নিয়ে, কেউবা তাদের পছন্দের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে আসছেন যমুনা পাড়ে সূর্যাস্ত দেখতে। আবার কেউ নৌকা,ট্রলার ভাড়া করে বঙ্গবন্ধু সেতুকে দেখছেন খুব কাছ থেকে। বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব গোলচত্ত্বর হতে ভ্যানযোগে যমুনার তীরে যাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। সেখানে দুপুরের পর থেকেই মানুষের সমাগম ঘটে। যমুনা পাড়ে শতাধিক নৌকা সারিবদ্ধভাবে মাঝিরা সাজিয়ে রেখেছেন দর্শনার্থীদের জন্য। নৌকায় উঠে পরিবারের সাথে যৌথ ছবি ও সেলফি তুলতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন ভ্রমণ বিলাসীরা।

ভ্রমণ বিলাসীদের আগমনে স্থানীয় লোকজনের আয়ের উৎসহ হয়েছে।স্বল্প আয়ের মানুষেরা  বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয়সহ নানা ধরনের খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন সেখানে। তবে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায়  বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার পক্ষ থেকে ব্যবস্থা করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তার। এখানে ঘুরতে এসে বিনোদনের কথা জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা। এদিকে দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় এত সুন্দর মনোরম দৃশ্য দেখতে পারবো ভাবতেও পারিনি। নৌকায় করে সেতুকে কাছ থেকে দেখেছি, সেলফিও তুলেছি। যমুনা নদীটা সমুদ্রের মত লেগেছে। এতো অল্প টাকায় নৌকায় করে বঙ্গবন্ধু সেতু দেখতে পারবো ভাবিনি।

সাধারণ দর্শনার্থীসহ রাজনীতিবিধ দেশের বিশিষ্ঠ্যদের নিরাপত্তার ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। যমুনা ও সেতু এলাকায় টহল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দাদের নজরদারি তো রয়েছেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here