আমরা চাই অখণ্ড ভারত’রাহুল গান্ধী’

19

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের লোকসভা ভোটেও ইন্দিরা গাঁধীর স্লোগান ছিল, ‘গরিবি হঠাও’। সেই স্লোগানে ভর করেই কংগ্রেস সেই ভোটে বিপুল সাফল্য পায়। পরে সেই ‘গরিবি হঠাও’ নিয়ে অনেক বিতর্ক হলেও ইন্দিরা গাঁধীর উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কোনও প্রশ্ন তুলতে পারেননি। রাহুলের এ দিনের ঘোষণায় ইন্দিরার সেই ‘গরিবি হঠাও’য়ের প্রতিধ্বনি দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটা বড় অংশ।

মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তীসগড়ে কংগ্রেস সরকার যে এই নূন্যতম আয়ের নীতি প্রয়োগ করবে, সেকথা  এ দিনই ঘোষণা করে দিয়েছেন রাহুল। আর কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে সারা দেশেই চালু হবে এই ন্যূনতম আয়। মোদী-শাহ জুটিকে আক্রমণ করতেও ছাড়েননি রাহুল। ‘‘আমরা দুই ভারতীয় চাই না, আমরা চাই অখণ্ড ভারত।’’, কটাক্ষ রাহুলের

ইউপিএ জমানায় তৈরি হয়েছিল ১০০ দিনের কাজ। সেই আইনে গ্রাম গ্রামান্তরের গরিব মানুষ পেয়েছিলেন বছরে ১০০ দিনের কাজের নিশ্চয়তা। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গরিবদের ন্যূনতম আয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেন রাহুল গাঁধী। ছত্তীসগঢ়ে এক জনসভায় রাহুল বলেন, ক্ষমতায় এলেই গরিবদের জন্য ন্যূনতম আয়ের বন্দোবস্ত করবে কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, কৃষিঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিন রাজ্যে বিধানসভা ভোটে ব্যাপক জয় পেয়েছে কংগ্রেস। ক্ষমতায় এসে প্রতিশ্রুতি পূরণের পর সাধারণ মানুষের আস্থাও মিলেছে। সেই পথেই এবার লোকসভা ভোটেও সাফল্যের আশায় রাহুল-প্রিয়ঙ্কার নেতৃত্বে ঝাঁপাচ্ছে কংগ্রেস।

তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটে দু’হাত উজাড় করে কংগ্রেসকে আশীর্বাদ করেছে ছত্তীসগঢ়ের জনতা। ভোটে সাফল্যের পর এই প্রথম সেই ছত্তীসগঢ় সফরে কংগ্রেস সভাপতি। একটি জনসভায় যোগ দিয়ে কার্যত লোকসভা ভোটের প্রচারের দামামা বাজিয়ে এলেন রাহুল গাঁধী। প্রতিশ্রুতি দিলেন গরিবদের ন্যূনতম আয়ের নিশ্চয়তার। ঘোষণা করতে গিয়ে বলেন, ‘‘কংগ্রেস এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলেই গরিবদের ন্যূনতম আয় নিশ্চিত করবে। দেশের প্রতিটি গরিব মানুষ কমপক্ষে একটি নির্দিষ্ট আয়ের নিশ্চয়তা পাবেন। এর অর্থ, দেশে আর কোনও গরিব মানুষ থাকবে না।’’ পরে টুইটেও রাহুল লেখেন, ‘‘এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং লক্ষ্য।

মতামত জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here