শরীরের মারাত্মক ৮টি ক্ষতি করে ‘এসি’

তাপমাত্রা তো চড় চড় করে বাড়ছে৷ আর গরম পড়তে না পড়তেই এসি মেশিনটা চালানো শুরু হয়ে গেছে৷ আবার যাঁদের বাড়িতে এসি নেই তাঁরাও এবারের গরমে এসি কেনার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন৷ গরম থেকে রেহাই পেতে কে না চায় বলুন তো ? কিন্তু জানেন কী এসি’র কয়েকটি মারাত্মক ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে-সেগুলি কী জানেন? না জানলে জেনে নিন-
১. মাথা ব্যথা: এসি ঘরে থাকার সব থেকে বড় সাইড এফেক্ট মাথা ব্যথা৷ দেখা গেছে বহুক্ষণ এসি ঘরে থাকার পর মাথা ব্যথা আর মাইগ্রেনের ব্যথা অনেকেটাই বেড়ে যায়৷

২.ডিহাইড্রেশন : দেখা গেছে যে ব্যক্তিরা এসি রুমে থাকে তারা অনেক বেশি ডিহাইড্রেটেড থাকে৷ আসলে এসি ঘরের মধ্যে থেকে সব আর্দ্রতা শুষে নেয়৷ তাই দীর্ঘ সময় ধরে যদি এসি রুমে থাকার অভ্যাস থাকে তা হলে একটু বেশি পানি পান করুন।

৩.সহজেই ক্লান্ত লাগা: ঘর বা অফিসের এসি এমনভাবে বানানো হয় যাতে শরীর ঠান্ডা হয়৷ কিন্তু রিসার্চ বলছে যে সব বড়িতে বা অফিসে এসি চলে তারা সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে৷

৪. শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সিম্পটম বেড়ে যায়: চোখ‚ নাক‚ গলায় অসুবিধা হতে পারে‚ যেমন বন্ধ নাক‚ ড্রাই থ্রোট হতে পারে বা চোখ দিয়ে জল পড়া৷ রিসার্চ করে দেখা গেছে যারা এসি ঘরে থেকেছে তাদের এই সব হওয়ার প্রবণতা অনেকেটাই বেড়ে গেছে। তাদের তুলনায় যারা খোলামেলা ঘরে থেকেছে তাদের এ সমস্যা অনেক কম৷

৫.ড্রাই ইচি স্কিন: সাধারণত গরমকালে আমরা এসির ব্যবহার বেশি করি৷ এই সময় সূর্যের এক্সপোজারও অনেক বেশি থাকে। এর ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়৷ দেখা দিতে পারে চুলকানির সমস্যাও৷ এটার একটা নামও আছে ‘ সিক বিল্ডিং সিন্ড্রোম ‘৷

৬.অ্যাজমা আর অ্যালার্জি বেড়ে যেতে পারে: দীর্ঘ সময় এসি রুমে থাকলে অ্যাজমা আর অ্যালার্জি বেড়ে যেতে পারে৷ দেখা গেছে যে এসিগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না সেইরকম ঘরে থাকলে অ্যাজমা আর অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা অনেকটা বেড়ে যায়।

৭.ড্রাই আইজ: দীর্ঘসময় এসি ঘরে থাকলে চোখ শুষ্ক হয়ে যায়, এর ফলে চোখ কড়কড় করবে বা চুলকোবে৷ চোখ জ্বালাও করতে পারে৷ অনেকের ক্ষেত্রে আবার দেখা গিয়েছে তারা অস্পষ্ট দেখছে ৷

৮. সংক্রামক ব্যধি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়: যেহেতু দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার ফলে নাকের প্যাসেজ ড্রাই হয়ে যায়‚ তার ফলে মিউকাস মেমব্রেনে ইরিটেশন হতে পারে বা মিউকাস শুকিয়ে যেতে পারে৷ এর ফলে ভাইরাস সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে ৷