ছবি-প্রতীকী
যৌবনের অন্যতম গোপন সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে পর্নো। লুকিয়ে চলা সেই নিষিদ্ধ কাজের আছে নানা কুফল। সেই কুফল সম্পর্কে যদি আজ খোলামেলা কথা না বলা হয়, তাহলে এই প্রজন্মের একটা বড় অংশই হয়ত মানসিক ভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়বে।

*নেশা:‌ আপনার যেভাবেই হোক পর্নোগ্রাফিক ছবি দেখার দিকে যদি মন চলে যায়, তাহলে বুঝতে হবে, আপনার নিষিদ্ধ ছবির প্রতি আসক্তি তৈরি হয়েছে। যেভাবে হোক পর্নোগ্রাফিক ছবি জোগাড় করে দেখার মধ্যে রয়েছে এই নেশার লক্ষণ।

*অপরাধবোধ:‌ আপনি পর্নোগ্রাফি দেখার সময়টুকু হয়ত চরম উন্মাদনায় রইলেন। কিন্তু সব মিটে যাওয়ার পরের মুহূর্তেই আপনাকে গ্রাস করতে শুরু করল চরম অপরাধবোধ। যে অপরাধ বোধের থেকে হয়ত আপনার মন খারাপ হয়ে গেল। আপনি কিছুটা শান্ত হয়ে গেলেন। এটা কাটাতে পর্ন দেখা বন্ধ করতে হবে।

*আপনার সঙ্গীর প্রতি আসক্তি কমে আসা:‌ সঙ্গীর সঙ্গে সুস্থ যৌন জীবন যাপন করতে হলে যৌনতার উত্তেজনা জমিয়ে রাখা দরকার। আপনি যদি ঘনঘন পর্নো দেখেন, তাহলে ক্রমে আপনার সঙ্গীর প্রতি আসক্তি কমে আসবে। এর ফলে আপনার জীবন কিন্তু ঝামেলায় পড়বে।

*ইন্টারনেটের প্রতি ঝোঁক:‌ ইন্টারনেটের প্রতি আসক্তি বাড়াও কিন্তু পর্নো নেশার অন্যতম লক্ষণ। আপনি যদি একই রকম পর্নো দেখতে দেখতে একঘেয়ে বোধ করে আরও নানা রকম পর্নো খুঁজতে শুরু করেন, তাহলে বুঝবেন আপনার নেশা হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি থেকে সঙ্গে সঙ্গে সরে আসা ভালো।

*বাস্তব জ্ঞান হারিয়ে ফেলা:‌ বাস্তব জ্ঞান হারিয়ে ফেলাও এই নেশা বুঝতে সাহায্য করে। আপনার যদি ক্রমাগত মনে হয়, যে পর্নো যৌনতাকে যেভাবে দেখানো হয়, বাস্তবেও তেমনটাই সম্ভব, তাহলে কিন্তু ভুল ভাবছেন। ওটা সবটাই বানিয়ে তোলা। ওটাকে বাস্তব ভাবলে বুঝবেন আপনি পর্নে মত্ত।