ম্যাচ পাতালে ১০ বছরের কারাদণ্ড!

0
219
print

ম্যাচ পাতানোর কেলেঙ্কারি বেশ ভালোই নাড়িয়ে দিয়েছিল ভারতকে। তিন বছর আগেই তো ভারতের পেসার শ্রীশান্তসহ আরও দুজন স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলেন। এবার বিসিসিআই মহাসচিব অনুরাগ ঠাকুর ম্যাচ পাতানো ঠেকাতে তিন সদস্যের আলাদা একটা নৈতিকতা কমিটি করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ম্যাচ পাতানোতে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব দিয়েছে সেই কমিটি।
এখন পর্যন্ত ভারতে ম্যাচ পাতানো ঠেকাতে আলাদা কোনো আইন নেই। সে জন্যই অনুরাগ এবার লোকসভায় আলাদা একটা আইন পাস করার কাজ শুরু করেছেন। শুধু ম্যাচ পাতানো নয়, বয়স চুরি বা অন্য যেকোনো নৈতিকতাবিরোধী কাজের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে এই নতুন আইনে। এখনকার যে আইন রয়েছে, তাতে অনেক রকম ফাঁকফোকর গলে অপরাধীরা পার পেয়ে যান। শ্রীশান্থও যেমন কারাগারে গিয়েও পরে বেরিয়ে এসেছেন।

ক্রিকেট থেকে অবশ্য যাবজ্জীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু বিসিসিআই চাইছে, এ ধরনের অপরাধের শাস্তি যেন হয় ক্রিকেটের বাইরেও। জেল-জরিমানার বিধান রেখেই তাই করা হচ্ছে নতুন আইন।

ম্যাচ পাতানোকে একধরনের ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে আইনের মধ্যে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে অনেক দেশই। ভারতের লোকসভার সংসদ সদস্য অনুরাগের নেতৃত্বে দেশটিতেও এখন এমন উদ্যোগ নেওয়া হলো। ম্যাচ পাতানোর জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর থেকে শুরু করে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। আর বয়স চুরির জন্য কমপক্ষে ছয় মাস কারাদণ্ডের বিধানও থাকছে এই শাস্তিতে। সেই সঙ্গে ঘুষ বা অন্য কোনো আর্থিক অনিয়মের জন্য এখন যে জরিমানা আছে, তার পাঁচ গুণ জরিমানারও প্রস্তাব করা হয়েছে। লোকসভার নিম্নকক্ষে এখন এই বিল পাস হওয়ার অপেক্ষায় আছে।

LEAVE A REPLY