যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মিসর ও জর্ডানসহ ছয়টি উপসাগরীয় দেশের একটি নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জোট গড়তে উঠেপড়ে লেগেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও মার্কিন কর্মকর্তারা সুন্নি মুসলমানদের দেশগুলোর এই পরিকল্পনাকে আরব ন্যাটো নামে ডাকছেন।

মূলত ইরানকে রুখে দিতেই এই জোট গঠনের কথা বলা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও আরব কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশগুলোর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, সামরিক প্রশিক্ষণ, সন্ত্রাসবিরোধীতাসহ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতা বাড়াতে চাচ্ছে হোয়াইট হাউস।

এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক আরও গভীর তলানিতে গিয়ে ঠেকবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর দুই দেশের মধ্য উত্তেজনা বেড়েই চলছে।

পরীক্ষামূলকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত জোট (এমইএসএ) বলে নাম দেয়া হয়েছে এটির।  ট্রাম্প প্রশাসনের প্রত্যাশা, আরব ন্যাটো নিয়ে আলোচনা করতে আগামী ১২ ও ১৩ অক্টোবর ওয়াশিংটনে একটি সম্মেলনেরও আয়োজন হতে পারে।

কয়েক মাস আগে থেকেই জোটের ধারনা নিয়ে কাজ চলছে বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস।

গত বছরে সৌদি আরবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরকে সামনে রেখে দেশটির কর্মকর্তারা একটি নিরাপত্তা চুক্তির কথা বলেছিল। কিন্তু জোটের প্রস্তাব নিয়ে তখন কাজ শুরু হয়নি।

বেশ কয়েকটি আরব দেশের কর্মকর্তারা বলেন, পরিকল্পনাটিকে সক্রিয় করতে নতুন উদ্যোগের ব্যাপারে তারা সচেতন আছেন।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র বলেন, ইরানি আগ্রাসন, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে এমইএসএ ইস্পাত কঠিন দেয়াল হিসেবে কাজ  করবে। তবে ওই শীর্ষ সম্মেলনের তারিখ নির্ণয়ের ব্যাপারটি তিনি নিশ্চিত করেননি।