ব্যাক পেইন কমানোর ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক
আজকাল ব্যাকপেইন একটি পরিচিত সমস্যা। আঘাত পেলে, দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে,মেরুদণ্ডে কোনো ধরনের পরিবর্তন হলে এই ব্যথা বাড়তে পারে। যখন কেউ একটু ঝুঁকে কাজ করতে যান তখন এই ব্যথা বেশি অনুবূত হয়। অনেকক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পাইনাল নার্ভে চাপ পড়ার কারণেও এ ধরনের ব্যথা হয়।
যারা এ ধরনের ব্যথায় প্রায়ই আক্রান্ত হন তারা ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে এটা উপশমের চেষ্টা করতে পারেন।
বরফ ব্যথা কমানোর জন্য দারুন কার্যকরী। এটা দিনে তিন কিংবা চারবার ব্যবহার করা যায়। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানের উপশম হিসেবে বরফ দারুন কাজ করে। এছাড়া ব্যাকপেইন খুব বেশি ব্যথা থাকলে একটা তোয়ালেতে বরফ টুকরো জড়িয়ে ব্যথার স্থানে ধরে রাখতে পারেন।এতে অনেক আরাম বোধ করবেন।
বসার ধরন ঠিক না হলে অনেকসময় ব্যাকপেইন। সুতরাং যখনই দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করবেন টানটান হয়ে বসার চেষ্টা করুন। এছাড়া শোওয়ার ধরনের দিকে নজর রাখা দরকার। কারণ শোওয়ার জন্যও অনেকসময় এ ধরনের ব্যথা অনুভূত হয়।
নিয়মিত ম্যাসাজ করলে ব্যাকপেইন অনেকটা নিরাময় হয়। এটা মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে। ব্যথা কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের বাম দিয়েও ম্যাসাজ করতে পারেন।
প্রতিদিন খালি পেটে দুই থেকে তিন কোয়া রসুনের কোয়া খেতে পারেন। এছাড়া রসুন তেল দিয়েও ব্যথার স্থানে ম্যাসাজ করতে পারেন।এজন্য নারিকেল বা সরিষার তেল হালকা গরম করে তাতে ৮ থেকে ১০ কোয়া রসুন দিন। এরপর তা গরম করুন যতক্ষণ না রসুনের রঙ বাদামী আকার ধারন করে। তারপর তেলটা দিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিন। এতে অনেকখানি আরাম বোধ করবেন।
ব্যাকপেইন কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিযমিত ব্যয়াম করা। এই ব্যথা কমানোর কিছু নির্দিষ্ট ব্যয়াম আছে। সেগুলো নিয়মিত অনুসরণ করলে এই ব্যথা অনেকটা নিরাময় হবে।
এছাড়া যেকোন ব্যথা কমানোর জন্য দুধের সঙ্গে হলুদ আর মধু মিশিয়ে খেলে তা অনেকখানি উপশম হয়।
সূত্র : এনডিটিভি