বিশ্বের সেরা সুন্দরী এয়ারহোস্টেস লিউ!

0
289
print
বিমান সেবিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন ছোটবেলা থেকেই। নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে সেনঝেন এয়ারলাইন্সে চাকরিও শুরু করেন মেয়েটি। শুধু মোটা অংকের বেতনেও আশায় নয়, নিজের জীবিকার গ্ল্যামারে মোহেও নয়, শুধুমাত্র প্যাশন আর ভালোবাসার টানেই এই পেশায় আসা লিউ মিয়াওমিয়ায়ের।

চলতি বছরের জুনে দক্ষিণ চিনের গুয়াংডং-র শেনঝেন শহরে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী বিমান সেবিকা হওয়ার প্রতিযোগিতা হয়েছে। আর সেখানেই সকলের মন জয় করে এই সম্মানের অধিকারী হন লিউ মিয়াওমিয়াও।

লিউ বিমান সেবিকার পেশায় আসেন ২০১০ সালে। উত্তর-পূর্ব চিনের সানশি-র সিয়ান শহরে জন্মগ্রহণ করেন বিশ্বের এই সুন্দরী বিমান সেবিকা।

চাকরি শুরুর পর লিউ তিন মাসের একটি ওরিয়েন্টেশন ট্রেনিং নেন। তার কথায়, সেই ট্রেনিংয়ে শেখানো হয়, চপস্টিকে খেতে খেতেও কীভাবে হাসা যায়। শুধু সুন্দর মুখ বা হাসির জন্য এই সম্মানে যে সম্মানিত হননি, তা বলাই বাহুল্য।

তিনি জানান, এই ট্রেনিংয়ে শেখানো হয় বিমান যদি বড়সর দুর্ঘটনায় পড়ে বা আগুন লাগার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেই অবস্থায় যাত্রীদের সুরক্ষিতভাবে বিমান থেকে কীভাবে বের করা যায় কিংবা একটি ছোট্ট ভুল থেকে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিমান সেবিকার সব কর্তব্য পালনে ব্রতী তিনি। ২০১৪ সালে চিফ অ্যাটেনডেন্ট পদে উন্নীত হন। প্রতিদিনের উড়ানে যাত্রীদের নানারকম সমস্যার মুখোমুখি হতে পিছপা নন লিউ। হাসির জাদু আর দারুণ ব্যবহারেই কাটিয়ে দেন সমস্ত সমস্যা, ঝামেলা। এমনিই একটি ঘটনার কথা শুনুন এখানে..

লিউ বলেন, একবার, বেজিং-এর একটি বিমান এমনিতেই দেরি করেছে, এর উপর গোদের উপর বিষফোঁড়া, বিমানের ভিতর পরিস্কার করতেও দেরি হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা। অন্যদিকে হেভি এয়ার ট্রাফিক থাকায় বিমানটি ছাড়তেও দেরি করে। সেই অবস্থায় যাত্রীদের শান্ত করতে মাঠে নামেন লিউ ও তার সহকর্মীরা। কিন্তু যাত্রীরা কে কার কথা শোনে। ক্ষুব্ধ যাত্রীদের শান্ত করতে এগিয়ে আসেন সেই লিউ-ও। তার সুন্দর ও বুদ্ধিদীপ্ত হাসির ঝিলিকেই যাত্রীদের রাগ-ক্ষোভ গলে পানি হয়ে যায়। সূত্র: এই সময়

LEAVE A REPLY