প্রশংসায় ভাসছেন সচেতন ওই তিন কিশোরী।

বাল্যবিবাহ একটি নেতিবাচক বিষয় হলেও, তা আমাদের সমাজ জীবনের ‘রূঢ় বাস্তবতা’। তাই হয়তো একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বন্ধ হচ্ছে না বাল্যবিবাহ। কিন্তু মাঝে-মধ্যেই অনেকের সাহসী পদক্ষেপের কারণে ভয়াবহ এই অভিশাপ থেকে রক্ষা পাচ্ছে অনেক কিশোরীই।

গত বৃহস্পতিবার তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে মৌলভীবাজার জেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নে। তিন বান্ধবীর অসীম সাহসিকতায় বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এক কিশোরী। যার জন্য সবার প্রশংসায় ভাসছেন সচেতন ওই তিন কিশোরী।

এলাকার শাহ হেলাল স্কুলের দশম শ্রেণির তিন সহপাঠী মিলে হাজির হয় মৌলভীবাজার মডেল থানায়। দেখা করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল আহমেদের সাথে। পুলিশের সাহায্য চান বান্ধবীর বাল্যবিবাহ রোধে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ গিয়ে ভেঙে দেয় সেই বাল্যবিবাহ।

পরে মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল আহমদ তার ফেসবুকে পোস্টে জানান, এরা তিন সহপাঠী। দশম শ্রেণির ছাত্রী। আজ (বৃহস্পতিবার) তাদের অপর এক সহপাঠীর বয়স ১৮ হওয়ার আগেই বিয়ে দেওয়া হচ্ছে জেনে উদগ্রীব হয়ে পড়ে। বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে হাজির হয় মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায়। সঠিক সংবাদের কারণে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে। ধন্যবাদ তিন ছাত্রীকে।