নায়িকা নম্রতার ঘর-সংসার

বলিউড নায়িকা নম্রতা শিরোদকার অনেক দিন হয় সিনেমা ছেড়েছেন। এখন তিনি ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত। এ খবর দিয়েছে কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার। খবরে বলা হয়, দেখতে সুন্দরী ছিলেন নম্রতা। হয়েছিলেন মিস ইন্ডিয়া। সেই সূত্রে পা রাখেন অভিনয়ের রূপালী জগতে। প্রথম দিকে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ছবির নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করলেও পরবর্তীতে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারেননি। যদিও অভিনয়টা বেশ ভালোই করতেন।

এখন পুরদস্তুর গৃহিনী তিনি। মারাঠি পরিবারে জন্ম নম্রতার। মডেলিংয়ের হাত ধরে আসেন গ্ল্যামার জগতে। ১৯৯৩ সালে মিস ইন্ডিয়া নির্বাচিত হন। বড় বোন শিল্পা শিরোদকারও একসময় অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন। ১৯৯৮ সালে সালমান খানের বিপরীতে ‘জব প্যায়ার কিসিসে হোতা হ্যায়’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় নম্রতার। যদিও অক্ষয় কুমার এবং সুনীল শেঠির বিপরীতে ‘পূরব কি লায়লা পশ্চিম কি ছ্যায়লা’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেছিলেন। তবে সেই ছবি মুক্তি পায়নি। মাত্র কয়েক বছরের কেরিয়ারে ‘বাস্তব’, ‘পুকার’, ‘অস্তিত্ব’, ‘কাচ্চে ধাগে’র মতো জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে তার পর আর হিট ছবির মুখ দেখেননি। নম্রতার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেক আলোচনা ছিল। রেস্তরাঁ মালিক দীপক শেট্টির সঙ্গে প্রথমে সম্পর্কে জড়ান। পরে ‘বাস্তব’ ছবির পরিচালক মহেশ মাঞ্জরেকরের সঙ্গেও সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন বলে গুঞ্জন আছে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে তেলুগু ছবিতে অভিনয় করতে গিয়েই পাল্টে যায় নম্রতার জীবন। তেলুগু সুপারস্টার মহেশের সঙ্গে দীর্ঘ ৫ বছর প্রেমের পর ২০০৫ সালে বিয়ে করেন তারা। এরপর অভিনয় ছেড়ে দেন নম্রতা। মন দেন ঘর-সংসারে। ২০০৬ সালে এক পুত্র সন্তানের মা হন। ছেলের নাম রাখেন গৌতম কৃষ্ণ। কিন্তু তার পরই মনোমালিন্য দেখা দেয় সংসারে। ঝামেলা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে মহেশের বাড়ি ছেড়ে চলে যান নম্রতা। তবে দুই পরিবারের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ফের একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন তারা। ২০১২ সালে সিতারা নামে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন নম্রতা। এখন সন্তানরা বড় হয়ে গেলেও রূপালী পর্দায় ফেরার কোনো ইচ্ছাই নেই নম্রতার।