নাইজেরিয়ায় সপ্তাহান্তে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় নিহত ২শ’

নাইজেরিয়ায় এই সপ্তাহান্তে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ২০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির মধ্যাঞ্চলে প্লাটেও রাজ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের গভর্নর বলেছেন, আগামী নির্বাচনের আগ দিয়ে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের একটি এটি। খবর গ্লোবাল নিউজের।

খবরে বলা হয়, পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন যে, মৃতের সংখ্যা ৮৬।

এই বছরের শুরু থেকেই নাইজেরিয়ায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তীব্র হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত এরকম দাঙ্গায় নিহত হয়েছে কয়েকশ’ মানুষ। প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারির জন্য দেশের নিরাপত্তা একটি প্রধান রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। উল্লেখ্য, তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনে লড়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন।

নাইজেরিয়ার পুলিশ বাহিনী, বুধবার রাতের শেষের দিকে ই-মেইলে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা প্লাটেও রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য একটি বিশেষ বাহিনী পাঠাচ্ছে।

ওই বিশেষে বাহিনীতে থাকবে, নজরদারি করার জন্য পুলিশের দু’টি হেলিকপ্টার, সশস্ত্র কর্মী বহনকারী পাঁচটি গাড়ি ও অন্যান্য রাজ্য থেকে মোতায়েনরত অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী। এই বিশেষ বাহিনীর নাম দেওয়া হয়েছে, পুলিশ স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্সের কাজ হল সমানভাবে আক্রান্ত এলাকার সম্প্রদায়, শহর, গ্রাম, অরক্ষিত বসতি, সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা ও কাঠামোগুলোতে কর্মী মোতায়েন করা।

প্লাটেওর গভর্নর সাইমন লালং, মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট বুহারির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে, রাজ্যটিতে হওয়া দাঙ্গাকে খুবই বিরক্তিকর ও আশঙ্কাজনক বলে বর্ণনা করেছেন। কেননা, এতে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

তিনি বলেন, এই দেশ বর্তমানে একটি মানবিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এতে হাজার হাজার মানুষ বাস্ত্যুচুত অবস্থায় আছে, যাদের ঘর-বাড়ি ও শস্য পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ও সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।