হাজারিকা ডেস্ক॥ তরুণদের ক্রেজ আইফোন। এই ফোনকে বলা হয় অভিজাত ফোন। কেননা এই ফোনের দাম বাজারের অন্য সব ফোনের চেয়ে চড়া। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আইফোনের ক্রেতা রয়েছে। কিন্তু ক্রেতাদের অনেকেই জানেন না কোথায় মেলে আসল আই ফোন? আর ক্রেতাদের এই অনভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধ পথে দেশে আইফোন বিক্রি করে আসছেন। ফলে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি , ক্রেতারা নকল কিংবা ব্যবহৃত ফোন কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। বাংলাদেশে আইফোনের একমাত্র পরিবেশক কম্পিউস্টার প্রাইভেট লিমিটেড (সিপিএল)। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রাকিবুল কবির এই প্রতিনিধিকে বলেন বাংলাদেশে এক লাখেরও বেশি আইফোনের বাজার রয়েছে। কিন্তু আমাদের মাধ্যমে ১৬০০০ ক্রেতা ফোন কিনেন। সাভাবিক ভাবে প্রশ্ন জাগে তাহলে বাকি আইফোন গুলি কোথা থেকে কেনা হয়? এই প্রশ্নের উত্তরও সহজ। ক্রেতাদের অনভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা চোরাই আইফোন এনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। এতে করে যেমন ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন তেমনি সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন আমরা আসল আইফোন ৮+ বিক্রি করছি। আমাদের অনুমোদিত পার্টনার ছাড়া দেশের যে সব আইফোন পাওয়া যায় তা নকল কিংবা সেকেন্ড হ্যান্ড। ৯টি প্রতিষ্ঠান পরবর্তি প্রজন্মের আইফোন এইট ও এইট প্লাস দুই নভেম্বর থেকে বিক্রি করছে। দেশের মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন বাংলালিংক ও রবি ২ নভেম্বর থেকে আইফোন এইট ও এইট প্লাস বিক্রি করছে। দেশের জনপ্রিয় হ্যান্ডসেট ব্রান্ড ওয়ালটনের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম প্রতিনিধিকে বলেন দেশের নকলও চোরাই ফোনের সহজলভ্যতার কারনে সরকার ও ক্রেতা উভয় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে মোবাইল ফোনের ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তারাও ব্যবসায়ীক ভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। এজন্য চোরাই ও নকল ফোন দেশে যাতে ঢুকতে না পারে তারজন্য সরকারকে কঠোর প্রদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস সভাপতি তথ্য প্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বার এই প্রতিনিধিকে বলেন কয়েকটি দেশি প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন সেট দেশেই উৎপাদন করছে। বিদেশি কোম্পানিগুলোকেও বলবো দেশে কারখানা স্থাপন করতে। এতে ফোনসেটের দামও কমবে এবং নকল আইফোনের চাহিদাও কমে আসবে। এভাবে নকল আইফোন ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ হবে।