Smiley face

দৌলতপুর প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মহিষকুন্ডি বাজারে তানিম প্রাইভেট হাসপাতালে ভুল অপরেশনে জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলির মেয়ে রুবিনা গুরুতর অসুস্থ এমন সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে দেখতে গেলে রুবেনার মা জানান আমার মেয়েকে সনো করতে নিয়ে যায় তারিকুলের ক্লিনিকে তখন তারা বলে আমার মেয়ের পেটে পানি কমে গেছে তাড়াতড়ি সির্জার করতে হবে আমি বাড়ীতে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে তারা আমার মেয়েকে জোর করে রেখে দেয় এবং তারিকুল আমাদের না বলে সিজার করে । রাত ৯ টার সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা বাইরে নিতে চাইলে তারিকুল জোর করে আমাদের মেয়েকে রেখে দেয় । রাত ৩ টার সময় তরিকুল দৌলতপুর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সেখানে ডাক্তার না পেয়ে আবার মহিষকুন্ডি ক্লিনিকে নিয়ে আসে। রুবেনার অবস্থা আরো খারাপ হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়, তবে রুবেনার অবস্থা আশংকা জনক। এ বিষয়ে তারিকুলের ক্লিনিকে গেলে তিনি প্রথমে নিজেকে দৌলতপুর হাসপাতালের উপ সহকারী মেডিকেল অফিসার দাবী করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তরিকুল সাংবাদিকদের জানান তার ক্লিনিকে কোনো মেডিকেল অফিসার নাই, তবে নিয়োগ দেওয়া হবে। রোগীর সেবার জন্য নার্স আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আছে। নার্স সানজোনা আক্তার কাজলের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি এসএসসি পাশ আমি ২ মাস আগে এখানে এসেছি আমার আগে কোথাও কাজ করার অভিজ্ঞতা নাই। ডায়াগনস্টিক এর অনুমোদন না থাকলেও সনো ও প্যাথলজিক্যাল পরিক্ষা এখানে করা হয়। তারিকুলকে আবার প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান মেডিকেল অফিসার নাই, তিনি যখন একজন সরকারী কর্মচারী, যখন তিনি না থাকেন তখন কে দেখেন তিনি জানান তখন বন্ধ থাকে তার কথা অনুসারে চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী খোভে ফুঁসে উঠেছে এবং একজন উপ সহকারী মেডিকেল অফিসার কি করে পাঁচ তলা বাড়ী ও নাভানা গাড়ী চড়ে ঘুরছে এই সম্পদের উৎস কোথায় সাধারণ মানুষ তা জানতে চাই।

LEAVE A REPLY