তারানা হালিম তিন দিন পর তার নতুন দপ্তরে যোগ দিলেন

0
17
print
অনলাইন রিপোর্টার ॥ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব হারানো তারানা হালিম তিন দিন পর তার নতুন দপ্তরে যোগ দিলেন।

রবিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে ৫০১ নম্বর কক্ষে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

পরে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কার্যালয়ে যান প্রতিমন্ত্রী তারানা। মন্ত্রীও তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

প্রতিমন্ত্রী তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলেও অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন জানিয়েছেন।

গত ২ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় নতুন চারজনের শপথ নেওয়ার পরদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে তারানা হালিমকে করা হয় তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

অভিনেত্রী-সংস্কৃতিকর্মী তারানা প্রায় তিন বছর আগে যোগ দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে। ওই মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘদিন কোনো মন্ত্রী ছিল না। এখন তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ে কাজ করবেন মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বৃহস্পতিবার নতুন দপ্তরে যোগ দিলেও তারানা হালিম সেদিন অফিসে না যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তথ্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে নেওয়ায় তারানা হালিমের অসন্তোষের খবরও গণমাধ্যমে আসে।

সেদিন তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগেও যাননি। ফলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাতে পারেননি তার পুরনো দপ্তরের কর্মকর্তারা।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দুই বছরের অর্জন নিয়ে মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) একটি সংবাদ সম্মেলনে আসার কথা ছিল তারানার। কিন্তু আগের দিন বিকালে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পাশাপাশি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর রদবদলের গুঞ্জনের মধ্যে তা স্থগিত করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে একটি অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয় তারানা না যাওয়ার কারণে।

এর মধ্যে টেলি যোগাযোগের দায়িত্ব পাওয়া নতুন মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বুধবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, “টেলিকম ডিভিশনের প্রতিমন্ত্রী সেখানে আর নেই, কেন নেই আমি তা বলব না।”

নতুন মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের এতদিনের কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিলেন, “আমি ধারণা করতে পারি নাই যে টেলিকম ডিভিশনে ক্যান্সারের মতো সমস্যা বিরাজ করে, আর তা সমাধান করার জন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।”

LEAVE A REPLY