ডু অর ডাই লড়াইয়ে একাদশে নেই সাকিব।

অবস্থা গুরুতর। আঙুল ফুলে গেছে। ব্যাটই ধরতে পারছেন না সাকিব। তাই পাকিস্তানের বিপক্ষে ডু অর ডাই লড়াইয়ে একাদশে নেই তিনি। আজ বিকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে দুবাই ছেড়েছেন তিনি। রাত ১১টার দিকে তিনি ঢাকা পৌঁছাবেন। আঙুলে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন প্রয়োজন তার।

সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে, তিনি কোথায় চিকিৎসা করাবেন। সাকিব নাকি আমেরিকাতেই চিকিৎসা করাতে চাইছেন। সাকিবের শ্বশুর বাড়ি ওখানে। গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ফ্লোরিডায় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার পর আমেরিকার এক চিকিৎসককে আঙুল দেখিয়েছিলেন সাকিব।

দুবাই থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রই যেতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আগামী সোমবার পর্যন্ত ওই চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট খালি না থাকায় আপাতত দেশে ফিরে গেছেন সাকিব। দেশে ফেরার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে, তিনি আসলে কোথায় যাবেন। অতীতে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের অস্ট্রেলিয়াতে সফল অপারেশন করা হয়েছে। বিসিবিরও নাকি পছন্দ অস্ট্রেলিয়াতে। তবে সাকিব চাইছেন আমেরিকা যেতে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে দেশে ফেরার পর অপারেশন করাতে চেয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু বোর্ডে প্রেসিডেন্ট সাকিবকে অনুরোধ করেন, এশিয়া কাপের পর অপারেশন করাতে।

দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি ব্যথা নাশক ট্যাবলেট ও ইনজেকশন নিয়ে খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে গত ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় আঙুলে আবার চোট পান পান । গতকাল অনুশীলনের সময় আরেকদফা ব্যথা পান চোটাক্রান্ত আঙুলে।

এরপর আঙল ফুলে যায় যায়। আঙুলের যে হাড়টি বেড়ে গিয়েছিল, সেটা আরও বেড়ে গেছে। আঙুলে অনেক লিকুইড জমা হয়েছে। দ্রুত চিকিসার প্রয়োজন বলে মনে করে সাকিবকে ছেড়ে দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

গত জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ চলাকালে বা হাতের আঙ্গুলে ব্যথা পান তিনি। এরপর লঙ্কানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মাঠে নমতে পারেননি এই অলরাউন্ডার। পরবর্তীতে ব্যথানাশক ইনজেকশন নিয়ে দুটি সিরিজ খেলেন তিনি।