গুলশানে পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও

সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজধানীর গুলশানে পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে বেশ কয়েকটি সংগঠন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় গুলশান দুই নম্বর থেকে পাকিস্তান দূতাবাস পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এই কর্মসূচি পালনের জন্য সকাল থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ গুলশান দুই নম্বর চত্বরে এসে সমবেত হন। একপর্যায়ে তাঁরা চত্বর থেকে পাকিস্তান দূতাবাস অভিমুখী সড়কের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ প্রতিবন্ধক বসিয়ে বাধা দেয়। গুলশান দুই নম্বরে বসতি টাওয়ারের সামনে দেওয়া পুলিশের ওই ব্যারিকেডে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অবস্থান নেন নেতা-কর্মীরা। সেখানে তাঁরা অবস্থানকালীন সমাবেশে বক্তব্য দেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি রহমত উল্লাহ এমপি বলেন, সম্প্রতি যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে, সেই হত্যাকাণ্ডে পাকিস্তানের আইএসআই ও ইসরায়েলের মোসাদ ষড়যন্ত্র করছে। দেশে নানা ধরনের এই ষড়যন্ত্রের কারণেই এই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটছে।

মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে যাবেন না।
পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মোশতাক আহমেদ খান বলেন, ‘এটা একটা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। তবে যেহেতু এটা কূটনৈতিক এলাকা, এই এলাকায় মিছিল-সমাবেশ করে ভেতরে যাওয়া যায় না। তাই আমরা ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দিয়েছি।’