গুরুদাসপুরে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙ্গন: বালির বস্তা ফেলে তিন গ্রামের মানুষ ও ফসল রক্ষার চেষ্টা

0
60
Smiley face

নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের গুরুদাসপুরে বালির বস্তা ফেলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙন ঠেকানো হচ্ছে। ভাঙন রোধে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের আত্রাই নদ সংলগ্ন তিনটি গ্রামের ২০ হাজার মানুষ ও জমির ফসল রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে।
উপজেলা এলজিইডির অর্থায়নে গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত বাধের ভাঙন রোধে ওই বালির বস্তা ফেলার কাজ চলে। এলজিইডিরি নিয়োগ করা মহিলা শ্রমিকের পাশাপাশি, সাংসদ সমর্থক ছাত্রলীগের স্বেচ্ছাসেবি সদস্য ও স্থানীয় তরুনরাও স্বেচ্ছায় শ্রমদেন বাধরক্ষায়।
স্থানীয় সাংসদ ও জেলা আ.লীগের সভাপতি আবদুল কুদ্দুস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী রতন কুমার ফৌজদার, উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান, বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, বিয়াঘাট ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আজিমুদ্দিন ভাঙনকবলিত বাধ রক্ষা কার্যক্রম প্রত্যক্ষ সহযোগীতা করেন।
উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর অফিস সুত্রে জানা গেছে, আত্রাই নদের হরদমা ত্রিমোহনার আজিমুদ্দিন মোল্লার বাড়ি থেকে বেলাল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধে ভাঙ্গন দেখা দেয়। অনেকাংশ ভেঙে নদের পানি লোকালয়ে ঢুকতে শুরু করে। পরে স্থানীয় সাংসদের তত্ত্বাবধানে বালির বস্তা ফেলে ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেয় এলজিইডি। গত তিন দিনে প্রায় ১ হাজার ৮০০ বালির বস্তা ফেলা হয়েছে।
বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন জানান, আত্রাই নদের তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা হরদমা, যোগেন্দ্র নগর ও বিলহরিবাড়ি গ্রাম রয়েছে। ওই গ্রাম তিনটিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষ বসবাস করে। জমিতে আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু বন্যানিয়ন্ত্রণ বাধে ভাঙন শুরু হওয়ায় বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করে গ্রাম তিনটিতে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বন্যার কবল থেকে গ্রাম তিনটির মানুষ ও সফল রক্ষা পেয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী রতন কুমার ফৌজদার জানান, ভাঙনের বিষয়টি উর্দ্ধতন কৃর্তপক্ষকে অবগত করা হলে দ্রুত ভাঙনরোধে পদক্ষেপ নেওয়া সহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেন। ভাঙন রোধে সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন আপাতত বালির বস্তাফেলে গ্রামটির মানুষের জান-মাল ও জমির ফসল রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সাংসদ আবদুল কুদ্দুস বলেন, গ্রাম তিনটি চলনভিল অধ্যুষিত। ফিবছর বন্যায় তারা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এবারও বাধের কারনে হুমকিতে রয়েছে। তবে আগামী শুকনো মওসুমে নদীর তীর রক্ষায় স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী
নাটোর

LEAVE A REPLY