আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

জঙ্গী আস্তানসহ নৌ- ডাকাত সন্ধানে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার দুর্গম চরা লে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সমাপ্তি হয়েছে। ২ দিেেনর এ অভিযানে জঙ্গী আস্তানার সন্ধান বা কোন নৌ- ডাকাত ধৃত হয়নি।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত প্রায় ৪ ঘণ্টা ব্যাপী ফুলছড়ি উপজেলা সদর ও ফজলুপুর ইউনিয়নের খোলাবাড়ি, তালতলা ও খাটিয়ামারীসহ বিভিন্ন চরে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট কিছু না পাওয়ায় অভিযান শেষ করেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানের নেতৃত্বে থাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল)- মইনুল হক বলেন, জঙ্গী আস্তানার সন্ধান ও নৌ-ডাকাতি প্রতিরোধে চরা লে এ অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানে জঙ্গী আস্তানা বা কোন জঙ্গীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।
এরআগে গত মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা সদর উপজেলার মোল্লারচর ও কামারজানী ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি- সার্কেল)- মইনুল হকের নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালান। সে অভিযানে জঙ্গী আস্তানা বা কোন জঙ্গীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে মোল্লারচর ইউনিয়নের সিধাইল চরের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে আইয়ুব আলী ওরফে শুকুর আলী (২৮) নামে এক ডাকাতকে আটক করা হয়। শুকুরের ৫ ভাইয়ের নামে ডাকাতি মামলা রয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (হেড-কোয়ার্টার)- আসাদুজ্জামান রিংকু জানান, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এরপর সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরা লে অভিযান চালানো হবে। অভিযানে জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ, ফুলছড়ি থানা পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ৫০ জন সদস্য অংশ নেয়। অভিযানে অংশ নেয়া সব সদস্যদের কাছে প্রয়োজনীয় অস্ত্র রয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার

আবু বক্কর সিদ্দিক
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পান্না বেগম নামে এক গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলর শিবপুর ইউনিয়নের আমিনের ভিটা গ্রামের আবুল কালামের বাড়ি থেকে তার স্ত্রী পান্না বেগমের গলায় ফাঁসীততে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পূর্বক সুরুতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন থানা পুলিশ। পারিবারিক সূত্র জানায়, ৩ মাস পূর্বে পাশ্ববর্তী দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামের কামাল মিয়ার কন্যা পান্না বেগমের সাথে আব্দুস সোবহনের পুত্র কালামের বিয়ে হয়। গতরাতে খাওয়া শেষে নিজ ঘরে স্বামী-স্ত্রী একসাথে শুয়ে পরে। রাতে কোন এক সময় পান্না গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।