খুলনা সিটি নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি

Smiley face

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গতকালের ভোটে নিরস্ত্র ভোটারদের ওপর অবৈধ সরকারের অবৈধ ক্ষমতার প্রদর্শন হয়েছে। আমি দলের পক্ষ থেকে এ নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করছি।

বুধবার সকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ভোটের ফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ভোট দিতে গিয়ে ধানের শীষের ভোটার ও সমর্থকরা নিগৃহীত হয়েছে। ভোটের দিন নৌকার প্রার্থীর লোকজন গ্রুপে গ্রুপে ভাগ হয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে জালভোট প্রদান করে। অনেক কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসাররা আওয়ামী ঝটিকা বাহিনীকে একচেটিয়া ভোট দিতে সহায়তা করে। তারা কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যালট পেপারের বান্ডিলে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে। ম্যাজিস্ট্রেটরা এসব দেখেও না দেখার ভান করেন।

এ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ৬৫ শতাংশের বেশি- নির্বাচন কমিশনের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, সেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩০ শতাংশেরও কম। সন্ত্রাসীদের হামলা ও বাধার কারণে অধিকাংশ কেন্দ্রেই ভোটাররা যেতে পারেনি।

সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে বন্দি গুরুতর অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সুচিকিৎসা ও তার মুক্তির দাবি জানান রিজভী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন ও বেলাল আহমেদ।

মঙ্গলবার খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক।

২৮৬টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফল অনুযায়ী, খালেক পেয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৮৯১ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঞ্জু পেয়েছেন এক লাখ ৯ হাজার ২৫১ ভোট। তিন কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছিল।