যে কোনো উৎসবের আনন্দ ঘিরে থাকে নতুন পোশাকে। সেই সঙ্গে উৎসবের পোশাক কিংবা শাড়িটি ডিজাইন, নতুনত্বসহ সব দিক থেকেই হওয়া চাই সেরা। আর এই চাওয়াগুলো পূরণ করার দায়িত্ব আমাদের। কিন্তু আমরা যারা তাঁতের শাড়ি নিয়ে কাজ করছি তারা সব সময়ই কিছু সমস্যার সম্মুখীন হই। ঈদ এলে তা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। কারণ ঈদে চাহিদা এবং সীমাবদ্ধতা দুটোই বেশি। তাঁতশিল্পে পৃষ্ঠপোষকতা অনেক কম। কাঁচামালের খরচ পড়ে বেশি। আকর্ষণীয় তাঁতের শাড়ি তৈরি করতে অনেক সময় ব্যবহার করতে হয়ে জরি সুতা, যা তাঁতিদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হয় না। আমাদের জোগান দিতে খরচ পড়ে বেশি। এদিকে লাভজনক না হওয়ায় তাঁতিরাও দিন দিন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। নতুন প্রজন্ম যারা টেক্সটাইল, ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে কাজ করছে তারাও তাঁত কাপড় নিয়ে কাজ করতে ততটা আগ্রহী নয়। একই ধরনের সমস্যা জামদানির ক্ষেত্রেও। তাই এই শিল্প এগিয়ে নিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং ক্রেতাদের দেশীয় শাড়ির প্রতি আগ্রহী হতে হবে। ঈদের মতো উৎসবগুলোতে দেশীয় শাড়িকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবেই আমাদের ব্যস্ততা, আমাদের পরিশ্রম, আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক হবে