ওসিকে ‘দেখে নেওয়ার হুমকি’ কনস্টেবলের !

0
367
Smiley face

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রউফ সোমবার বিকালে সলঙ্গা থানা পরিদর্শনে গেলে তার সামনেই গাড়ি চালক কনস্টেবল আলমগীর হোসেন আলম এ ঘটনা ঘটান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রউফ বলেন,কনস্টেবলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিষয়ে তদন্তসাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান মতি।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রউফের গাড়ি থানা চত্বরে ঢোকার সময় দায়িত্বরত কনস্টেবল সবুজ তা খেয়াল করতে না পারায় স্যালুট দেননি। এ সময় গাড়ি থেকে নেমে চালক আলমগীর কনস্টেবল সবুজের ওপর চড়াও হন।
“বিষয়টি ওসি আব্দুর রফিকের নজরে পড়লে তিনি গাড়ি চালককে থামাতে চেষ্টা করেন। তখন গাড়িচালক উত্তেজিত হয়ে ওসিকে বলেন,

‘স্যার, আমাকে আপনি চেনেন না। আমি আইজির গাড়ি চালিয়েছি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস আমার আত্মীয়। আপনাদের সবাইকে দেখে নেওয়ার ক্ষমতা আমার আছে’।
“সবার সামনেই এ ঘটনা ঘটে,” বলেন ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার।

তিনি বলেন, পরে এএসআই মতিউর রহমান গাড়িচালক আলমকে শান্ত করে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেন।

ওসি আব্দুর রফিক বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি অবগত হয়েছেন। তারাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”
আর পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ জানান, তিনি ‘প্রকৃত ঘটনা’ জানার চেষ্টা করছেন।

“থানায় কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গেলে তাকে সম্মান না জানানোর সুযোগ নেই। তবে সাদা পোশাকে থাকলে বা চিনতে না পারলে বিষয়টি ভিন্ন।
“আবার কর্তব্যরত সমমানের কাউকে বা ঊর্ধ্বতন কাউকে হুমকি দেবে, তাও শোভনীয় নয়। ঘটনাস্থলে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। জানার পর প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ বিষয়ে কনস্টেবল আলমগীর হোসেন আলমের বক্তব্য জানা যায়নি।

সূত্র : সময়ের কন্ঠস্বর

LEAVE A REPLY