• ২০১৭ সালে এসএসসি ও সমমানের বাংলা প্রথম পত্রে ‘চিকিৎসক ও চিকিৎসা পেশা’ নিয়ে ‘বিতর্কিত’ প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। শনিবার ড্যাব-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে এ সমালোচনা করা হয়।

বিবৃতিতে ‘চিকিৎসক ও চিকিৎসা পেশা নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ’ প্রশ্নপত্র প্রণয়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকার একের পর এক সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ১৬ কোটি দরিদ্র জনগণের স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্বে নিয়োজিত চিকিৎসকদের হেয়-প্রতিপন্ন করে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে দুর্বল ও ধ্বংস করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু অসৎ ব্যক্তির স্বার্থ সিদ্ধির জন্য দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে হেয় প্রতিপন্ন ও বিতর্কিত করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সরকারের নতজানু ও দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির কারণে এসব সম্ভব হচ্ছে। আজ শুধু স্বাস্থ্য সেক্টর নয় সকল সেক্টরেই একই অবস্থা। পাঠ্যপুস্তকে আজ কোমল মতি শিশুদের শেখানো হচ্ছে- ছাগল আম গাছে উঠে আম পাড়ছে। এরকম উদ্ভট শিক্ষা আজ আমাদের শিশুরা গ্রহণ করছে। তারই প্রতিফলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা নূন্যতম পাশ নাম্বার অর্জনেও ব্যর্থ হচ্ছে। আমরা চিকিৎসক সমাজ কোনো অবস্থাতেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে দিতে পারি না। সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক ও সম্পদ দিয়ে গোটা দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এরূপ কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি পেশার স্বার্থ সংরক্ষণে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা পেশার মত একটি মহান ও সেবামূলক পেশাকে কলঙ্কিত করে স্বার্থ হাসিলের যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে তাদেরকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এরূপ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে এর জোর দাবী জানাচ্ছি।’