উৎসবের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামে বছরের প্রথম দিনে বই বিতরন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: উৎসবের মধ্যদিয়ে বছরের প্রথম দিন কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলায় প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী এনসিটিবি থেকে মোট ৫৫ লক্ষ ১৬ হাজার ১০৯টি বই বরাদ্দ দেয়া হয়। এরমধ্যে প্রাথমিকে ১৭ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭২৯টি, এবতেদায়ীতে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫শ’টি, মাধ্যমিকে ২৪ লক্ষ ৫ হাজার ৯৪০টি, দাখিলের ৯ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৫৫টি এবং ভোকেশনালে ৪৩ হাজার ১৮৫টি বই তুলে দেয়া হয়। এক তথ্যে দেখা গেছে, জেলায় বিভিন্ন পর্যায়ে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দকৃত ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯৫টি বই এখনো পৌছায়নি।
সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান কিশলয় আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আলাউদ্দিন আল আজাদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন আল পারভেজ প্রমুখ।
জেলা শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকে চাহিদা অনুযায়ী ১৭ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭২৮৯টি, এবতেদায়ীতে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫শ’টি পাওয়া গেছে। অপরদিকে মাধ্যমিকে চাহিদা অনুযায়ী ২৪ লক্ষ ৫ হাজার ৯৪০টি বইয়ের বিপরীতে ১৯ লাখ ১ হাজার ৬৫৫টি, দাখিলে চাহিদার ৯ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫৫টি বইয়ের বিপরীতে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ২৩০টি এবং ভোকেশনালে ৫৫ লাখ ১৬ হাজার ১০৯টি বইয়ের বিপরীতে ৪৭ লাখ ৮৯ হাজার ২৪টি বই পাওয়া গেছে। এতে মাধ্যমিকে ৫ লাখ ৪ হাজার ২৮৫টি, দাখিলে ২ লাখ ২ হাজার ৫২৫টি এবং ভোকেশনালে ৭ লাখ ২৭ হাজার ৮৫টি বই কম পাওয়া গেছে।
বই উৎসবে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান বলেন, বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতার একটি অংশ বই বিতরণ। বিনামূল্যে একদিনে শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেয়া সরকারের বড় অর্জন। যা সারাবিশে^ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে কোন বই সংকট নেই। পর্যায়ক্রমে সব বই চলে আসছে।