ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে নিহত বেড়ে ৫১

অনলাইন ডেস্ক
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার ৪৯ জনের নিহতের তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উড়োজাহাজটির পাইলট আবিদ সুলতান এবং আহত এক যাত্রী মারা যান। এই নিয়ে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৫১ জনে। খবর কাঠমান্ডু পোস্টের
নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি এবং একজন চায়নার নাগরিক। নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের সংখ্যা দিয়ে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা।
সোমবার দুপুরে ঢাকা থেকে যাত্রা করা উড়োজাহাজটি ওই বিমানবন্দরে নামার সময় পাইলট নিয়ন্ত্রণ হারালে তা রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনাস্থলেই ৪০ জন নিহত হন। পৃথক দুই হাসপতালে ৯ জন মারা যান।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে নেপালের বন্দরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, নেপালের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের গাফিলতির কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মহাব্যবস্থাপক রাজ কুমার ছেত্রি। তার দাবি, পাইলটের ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা।
এদিকে আহতদের সর্বশেষ অবস্থা জানতে আজ মঙ্গলবার সকালে নেপালে গেছেন তাদের স্বজনরা। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নেপালে পৌঁছান তারা। কাঠামান্ডুতে পৌঁছার পর তাদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় বাংলাদেশ দূতাবাসে। সেখান থেকে দূতাবাসের গাড়িতে তাদের নিয়ে যাওয়া হাসপাতালে আপনজনদের পাশে।
কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, আহতদেরকে সেখানকার তিনটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে ভালোভাবে। মরদেহগুলো স্বজনরা চিহ্নিত করার পর দেশে পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।