আশরাফুলের সেঞ্চুরিতে কলাবাগানের বড় সংগ্রহ

    ২০১৩ সাল থেকে ম্যাচ গড়াপেটার দায়ে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ছিলেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০১৬ সালে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরেন নিজেকে প্রমাণের প্রত্যয় নিয়ে। এবছরের আগস্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও তার নিষেধাজ্ঞা উঠতে যাচ্ছে। তার আগেই নিজেকে প্রমাণ করতে যেন ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগকেই বেছে নিয়েছেন টেস্টের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান আশরাফুল। মঙ্গলবার করেছেন এবারের আসরে তার প্রথম সেঞ্চুরি। তার সতীর্থ তাইবুর রহমানও হাঁকিয়েছেন শতক। দুজনের ইনিংসে ভর করে ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান করেছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্র। প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য ২৯১ রান।

    এবারের লিগে প্রথম দুই ম্যাচেই হেরেছে কলাবাগান। কোন ম্যাচেই ভাল শুরু পায়নি দলটি। সাভারে বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে এদিনও এর ব্যতিক্রম হয়নি। দলীয় ৪৭ রানের মধ্যেই ৩জন ব্যাটসম্যানকে হারায় কলাবাগান। আরও বড় বিপর্যয় ঘটতে পারত। কিন্তু ক্রিজে যে ছিলেন আশরাফুল! তাইবুরকে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে তিনি গড়েন ১৮৮ রানের জুটি। ১২৫ বল খেলে তুলে নেন লিস্ট-এ ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। তবে সেঞ্চুরি করার পর আউট হয়ে যান আশরাফুল। ১৩১ বলে ব্যক্তিগত ১০৪ রানে দোলেশ্বরের বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানির বলে উইকেট হারান এই ৩৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। ১১টি চারে নিজের ইনিংস সাজান আশরাফুল। দলীয় ২৩৫ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি সাজঘরে ফেরার পর মাঠে নামেন কলাবাগান অধিনায়ক মুক্তার আলী। তিনি ১৬ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৪০ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। অন্যপ্রান্তে সেঞ্চুরি তুলে নেন তাইবুরও। ম্যাচশেষে ১০৯ বলে ১১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান তার ইনিংস সাজান ৯ চার ও ৩ ছক্কায়।

    দোলেশ্বরের পক্ষে দুটি করে উইকেট পেয়েছেন সানি ও মানিক খান