দেশের এক তৃতীয়াংশ আলু উৎপাদন হয় মুন্সীগঞ্জে। বিস্তৃর্ণ জমিতে এখন আলুু উত্তোলন আর জমিতে মজুদ করার চিত্র দেখা যায়। সিরাজদিখান উপজেলার প্রধান এই অর্থকরি ফসল আলু নিয়ে কৃষকের ব্যস্ততার যেন শেষ নেই। আলু ভিত্তিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে কৃষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে। তবে বাম্পার ফলন হওয়া সত্ত্বেও দাম কম ও আলুর আকৃতি ছোট হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। ফলনের তুলনায় আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন অধিকাংশ কৃষক। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে আলু কোল্ডস্টোরাইজ করা ও দেশীয় পদ্ধতিতে নিজস্ব খামার বা কৃষকের বসতবাড়িতে সংরক্ষণ করা হয়। চলতি মৌসুমে সিরাজদিখান উপজেলায় ৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ৯ হাজার হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ করা হয়। এর মধ্যে মৌসুমের শুরুতে টানা বৃষ্টির কারণে প্রায় ১০০ হেক্টর জমির আলু বিনষ্ট হয়। সবমিলে আলুর ফলন ভালো হলেও আলুর আকার ছোট ও দাম কম হওয়ায় রফতানিতে বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকরা। তবে গত দুই বছর আলুর বাম্পার ফলন হলেও দাম না পাওয়ায় উৎপাদন খরচও উঠে আসেনি কৃষকদের। চলতি মৌসুমের উৎপাদিত আলু যদি সরকার বিদেশে রফতানির ব্যবস্থা করে তাহলে গত বছরগুলোর লোকসান কিছুটা পুষিয়ে আসবে বলে মনে করেন কৃষকরা। উপজেলার কৃষি অফিসার সূবোধ চন্দ্র রায় বলেন, সিরাজদিখানে এবছর প্রায় ৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে ৩৪ টন করে আলু হবে বলে আশাবাদ তারা। আমরা কৃষকদের আলু তাদের বাড়িতে মজুদ রাখার নানা পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছি। কোল্ড স্টোরে রাখলে কৃষকদের খরচ বেড়ে যাবে।