অজানা রোগে আক্রান্ত জেহের আলী বাঁচতে চায়

0
316
Smiley face

আবু জাফর সিদ্দিকী, নাটোর থেকেঃ অসহায় জেহের আলী ( ৪২)পিতা মৃত হাতেম মন্ডল, ১ ছেলে, ১ মেয়ের জনক।
ছেলে সোহাগ এবার শেরকোল বঙ্গবন্ধু কমার্স কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।
মেয়ে ভাগনাগরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ ম শ্রেনীর ছাত্রী।
সংসারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম ব্যক্তি তিনি। সংসার চালাতেন লেবারি করে।
যাকে বলে দফাদার বা সর্দার। প্রায় ১ বছর আগের কথা। হঠাৎ শরিরে চুলকানি।
দু একটা ফুসকুড়ি, তিনি নখ দিয়ে গেলে দিতেন। এরপর শুরু। বাড়তে থাকে চুলকানি এবং পাচরা। প্রথমে গ্রাম্য ডাক্তার দেখান। তারপর সিংড়ায় ডাক্তার দেখান কিন্তু কোন উন্নতি নাই। তারপর চলে যান নাটোর সদর হাসপাতালে। সেখানে ও চিকিৎসাধিন ছিলেন। অবস্থার উন্নতি দুরের থাক বাড়তেই থাকে। এরপর জমিজমা বন্ধকের ৬০ হাজার টাকা নিয়ে চলে যান ঢাকায়। কাছের মানুষের পরামর্শ নিয়ে ভর্তি হন ইবনে সিনা হাসপাতালে। দীর্ঘ ১ মাস ৬ দিন চিকিৎসাধিন ছিলেন সেখানে। কিছুটা উন্নতি হলে বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু কয়েকদিন যেতেই আরো বেড়ে যায়।
কিন্তু নিরুপায়, হাতে টাকা নাই। সংসারের আয় নাই।
চিকিৎসা করার মত অর্থ না থাকায় তিনি ভিটেমাটির ৬ শতকের ৩ শতক জায়গা বিক্রি করে চিকিৎসা নিতে ইন্ডিয়া যাবেন। অসহ্য যন্ত্রনা, সারা রাত জেগে থাকতে হয়।
সারা গায়ে ছড়িয়ে পড়েছে ঘা, পিঠে সবচেয়ে বেশি, তাছাড়া পা সহ পুরো শরিরে ঘা। কাজ কামতো দুরের কথা, বেচে থাকাই দুরুহ।
অজানা রোগ তাকে কুড়ে খাচ্ছে।
বাড়িতে সুখ নাই, জীবনের স্বপ্ন ছিলো ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা করায় মানুষ করবেন, কিন্তু সব যেনো গুড়েবালি। জীবনের এ সময়ে এসে নিরুপায় জেহের আলী। মানুষের কাছে হাত পাতার মতো স্বভাব নাই, তাই কখনও মুখ খুলে ও বলেন না নিজের অসহায়ত্বের কথা। তাই সব সহ্য করছেন মুখ বুজে। চলাফেরা করেন সীমিত। সংসারের উপার্জন ব্যক্তি আজ যেনো বোঝা হয়ে গেছেন। কি করবেন, সংসারের প্রয়োজনে গত ৪ মাস আগে ও এ অবস্থায় কাজ করেছেন। বর্তমানে আর পারছেন না। আমাদের জীবন সংসারে যেনো এমন অবস্থা, পরিনতি কারো না হয়।
আসুন মানবতার পাশে দাঁড়াই। জেহেরের পরিবারের পাশে দাঁড়াই। তাকে সহযোগিতার হাত বাড়ান।
সবাই যদি সহযোগিতা করি জেহের চাচা আবার ও সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন।
সাহায্য পাঠান- রাজু আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক- চলনবিল ফেসবুক সোসাইটি, সিংড়া, নাটোর।
বিকাশ ০১৭২৪-০২৫৩৩৭
আপনার পাঠানো সাহায্য জেহের চাচার পরিবারের কাছে তুলে দেয়া হবে

LEAVE A REPLY